২১ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরব মেয়র প্রার্থীরা


স্টাফ রিপোর্টার ॥ আসন্ন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জোর প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন প্রার্থীরা। বিশেষ করে ঢাকার মেয়র প্রার্থীদের প্রায় সবাই এই মাধ্যমকে কাজে লাগাচ্ছেন। অনলাইনে ভোটারদের মন জয়ের চেষ্টা চলছে নির্বাচনের শুরু থেকেই। অর্থাৎ নির্বাচনী প্রচারের ক্ষেত্রে এটি একটি নতুন মাত্রা। শুধু তাই নয়, প্রতিদিনের মেয়র প্রার্থীদের কর্মকা-, প্রতিশ্রুতিও সামাজিক যোগাযোগের এই মাধ্যমে তুলে ধরছেন সবাই।

প্রযুক্তির এই যুগে মাঠে-ময়দানে প্রচার চালিয়ে জয় নিশ্চিত মানতে রাজি নন প্রার্থীরা। সেজন্য বেছে নিয়েছেন সামাজিক যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম ফেসবুক। নির্বাচনী আমেজে অনেকে সাজিয়েছেন হোমপেজ। অনেকে আবার নির্বাচনী ইশতেহার প্রচারে বেছে নিয়েছেন এ রকম হোমপেজকে। এসব পেজে নিজেকে অনেকে ‘আপোসহীন’ নেতা হিসেবে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছেন। প্রার্থীদের এ প্রচারে যোগ হয়েছেন সমর্থকরাও। নিজ নিজ এ্যাকাউন্ট ছাড়াও সমর্থকরা তার পছন্দের প্রার্থীদের নামে খুলেছেন একাধিক ‘সাপোর্টার ফ্যান পেজ’। এসব পেজে লাইকও রয়েছে বেশ। হচ্ছে শেয়ারও। নিজ নিজ রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকেও প্রার্থীদের পক্ষে ফেসবুকে প্রচার আছে।

ছুটির দিন শুক্রবার ফেসবুক ঘুরে দেখা যায়, ঢাকা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী সাঈদ খোকন, বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী মির্জা আব্বাস, আওয়ামী লীগ সমর্থিত মেয়র প্রার্থী আনিসুল হক, বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী তাবিথ আউয়াল, গণতান্ত্রিক বাম মোর্চা সমর্থিত প্রার্থী জোনায়েদ সাকি থেকে শুরু করে জাতীয় পার্টি সমর্থিত প্রার্থীরাও ফেসবুক ও ফ্যান পেজে সক্রিয় আছেন।

আনিসুল হকের পক্ষে একজন ফ্যান পেইজে লিখেছেন, অনেকেই আনিসুল হকের হয়ে নির্বাচনী প্রচারে নামতে আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন। যারা স্বেচ্ছায় এ কাজে আগ্রহী তারা সবাই ইনবক্স করুন। ফেসবুকে সময় ও স্থান জানানো হবে। সেখানে চলে আসলেই দেখা হবে। সবাই মিলে যাওয়া যাবে বাড়ি বাড়ি ভোটারদের কাছে। এছাড়াও প্রচারের সময় একজন সাধারণ নারী আনিসুল হকের গালে চুমু দিয়ে দোয়া করছেন এ ছবিও পোস্ট করা হয়েছে। সুজন আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠকে অংশ নেয়ার সর্বশেষ ছবিও আছে নিজের ওয়ালে। আছে সাইকেল র‌্যালির একাধিক ছবি।

নিজের ফেসবুক পেজে সাঈদ খোকন লিখেছেন, সমন্বয়হীন পৃথক পৃথক বিচ্ছিন্ন উদ্যোগ সহ-নানাবিধ উপেক্ষা এড়ানোর অযোগ্য কিছু প্রতিবন্ধকতায় বার বার দীর্ঘায়িত হচ্ছে কাক্সিক্ষত সেই নাগরিক সুবিধা।

ঢাকাবাসী আজ সচেতন, সোচ্চার। ঢাকার সমস্যাগুলোও আজ দৃশ্যমান। নগরীর পুঞ্জীভূত সমস্যা মোকাবেলায় আমরা বিচলিত নই। আমরা প্রস্তুত, দৃঢ়, আমাদের লক্ষ্যে অটল। ঢাকাকে রাতারাতি বদলে দেয়ার দাবি আমাদের নেই। আমরা এগিয়ে যেতে চাই পরিকল্পিতভাবে। নগরবাসীর নানাবিধ সমস্যা ও নগরের অবহেলিত দিকগুলো একটি একটি করে পর্যালোচনা করে, সিটি কর্পোরেশনের কাজের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সম্পৃক্ত সকল ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে এবং জনমত ও গণদাবির আলোকেই প্রতিটি ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট, কার্যকরী ও বাস্তবায়নযোগ্য পরিকল্পনা প্রণয়ন, প্রয়োগ ও সফল বাস্তবায়নের মাধ্যমে ঢাকা এগিয়ে যাবে বিশ্ব মানের কাতারে।’