১৭ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট ৭ ঘন্টা পূর্বে  
Login   Register        
ADS

নববর্ষে ঢাবিতে নারীর সম্ভ্রমহানির শাস্তি দাবি এরশাদের


স্টাফ রিপোর্টার ॥ বাংলা নববর্ষের দিনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় নারীর সম্ভ্রমহানির ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিকে দায়ী করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ।

তিনি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এমন ঘটনা ঘটবে এটি চিন্তাও করা যায় না। যে দেশের প্রধানমন্ত্রী, বিরোধী দলের নেতা ও স্পীকার নারী সে দেশে এমন ঘটনার কথা বলতেও ঘৃণা লাগে। সুষ্ঠু তদন্তসাপেক্ষে এ ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন তিনি।

শুক্রবার রাজধানীর উত্তর জুরাইন মুন্সীবাড়ী শাহাদাত হোসেন রোডে জাতীয় পার্টি শ্যামপুর-কমদতলী থানা আয়োজিত কর্মিসভা ও দোয়া মাহফিলে তিনি এ সব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জাপা চেয়ারম্যান।

এরশাদ বলেন, খালেদা জিয়া চেয়েছিলেন আমি জেলে মরে যাই। এ জন্য অসুস্থ হলেও আমাকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়নি। ইতিহাস কাউকে ক্ষমা করে না, আজ খালেদার জিয়ার নির্বাচনে কোন প্রার্থীই নেই।

জাপা চেয়ারম্যান আরও বলেন, আমার নামে খালেদা জিয়া ৪৬টি মিথ্যা মামলা দিয়েছিলেন। এখনও দুটি মামলা রয়েছে। উনার নামে কত মামলা জানি না। আল্লাহর বিচার আছে। সাবেক সেনাপ্রধান এরশাদ বলেন, দিনাজপুর হাজী দানেশ বিশ্ববিদ্যালয়ে দুজন ছাত্র মারা গেল। এমন রাজনীতি আমরা চাই না। নিজেরা-নিজেরা মারামারি করে ওরা প্রতিদিন মরছে। এ জন্য কারও কোন মায়া লাগে না। সবাই শুধু চায় ক্ষমতা আর ক্ষমতা।

এরশাদ বলেন, আমি ক্ষমতায় থাকার সময় দুজন লোক মারা গিয়েছিল। ওরা পুলিশের গুলিতে মারা যায়নি। আমি ক্ষমতা ছেড়ে দিয়েছিলাম। এখন কত লোক মারা যায়, গুম হয়, রাস্তায় লাশ পাওয়া যায় সে হিসাব আমরা রাখিই না। অনেকে বলেন, আমার সময়ে নাকি গণতন্ত্র ছিল না? এখন কিসের গণতন্ত্র চলছে? এ জন্য মানুষ পরিবর্তন চায়। আপনাদের কাছে দোয়া চাই। আল্লাহ যেন আমাকে দেশের জনগণের সেবা করার সুযোগ দেন।’

জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক সৈয়দ আবু হোসেন বাবলার সভাপতিত্বে কর্মিসভা ও দোয়া মাহফিলে বক্তব্য রাখেন সুজন দে, কাওছার আহমেদ, ইব্রাহিম মোল্লা সেলিম আহমেদ ও মাঈনুদ্দীন বাবু।

সম্পর্কিত:
পাতা থেকে: