২৩ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট ৪ ঘন্টা পূর্বে  
Login   Register        
ADS

৮ বছরে মৈত্রী ট্রেন ॥ দুই বাংলার জনপ্রিয় বাহন


সংবাদদাতা, দামুড়হুদা, চুয়াডাঙ্গা, ১৫ এপ্রিল ॥ দুই বাংলার বুকে মৈত্রী থাকুক সুখে- এ সেøাগান ধারণ করে সাত বছর আগে ১৪ এপ্রিল ২০০৮ সালে যাত্রা শুরু করেছিল মৈত্রী এক্সপ্রেস। এই সাত বছরে অনেক চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে মৈত্রী ট্রেন এখন দু’দেশেরই লাভজনক বাহন। শুধু লাভজনকই নয়, এ ট্রেন বাংলাদেশ-ভারত ভ্রমণকারীদের কাছে এখন বেশ জনপ্রিয় বাহন হয়ে উঠেছে। শুরুর দিকে সপ্তাহে দু’দিন অর্থাৎ বুধবার ও শুক্রবার ঢাকা থেকে কলকাতায় যেত। আর শনি ও মঙ্গলবার কলকাতা থেকে ঢাকায় আসত। প্রথম দিকে যাত্রী সংখ্যা কম থাকলেও ধীরে ধীরে সকল সমস্যা কাটিয়ে উঠে মৈত্রী ট্রেন এখন চাহিদার তুঙ্গে। ফলে গত ৪ জানুয়ারি ২০১৫ থেকে আরও এক জোড়া নতুন ট্রেন যোগ হয়েছে। এর প্রতিটি যাত্রায় গড়ে ৩৫০ যাত্রী আসা-যাওয়া করে থাকেন। গত সাত বছরে ট্রেনটিতে মোট দুই লাখ ৪৬ হাজার ৬৩৩ জন যাত্রী ভ্রমণ করেছেন।

এ ট্রেনে ভ্রমণকারী যাত্রীদের অভিমত, কাস্টমস-ইমিগ্রেশনের কাজ ট্রেনেই মধ্যেই সম্পন্ন করে ট্রেনটির যাত্রা বিরতিতে আরও সময় কমিয়ে আনতে পারলে যাত্রীদের ভোগান্তি কমে যাবে। এ ছাড়াও ঢাকা-কলতাকার মধ্যে আরও স্টপেজ বাড়িয়ে বাংলাদেশের দর্শনা ও ভারতের গেঁদে রেলস্টেশনে ছোটখাটো সমস্যাগুলো সমাধানে দু’দেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আন্তরিক হলে আর জনপ্রিয় হয়ে উঠবে মৈত্রী এক্সপেস।

দর্শনা আন্তর্জাতিক রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার মীর মোঃ লিয়াকত আলী জানান, মৈত্রী ট্রেন বাংলাদেশ রেলওয়ের গর্ব। বাংলাদেশ, ভারতসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের যাত্রীরা এ ট্রেনে ভ্রমণ করেন। এর জনপ্রিয়তা দিন দিন বেড়েই চলেছে।

সংবাদ প্রকাশের পর দখলমুক্ত শহীদ মিনার

নিজস্ব সংবাদদাতা, পার্বতীপুর ১৫ এপ্রিল ॥ পার্বতীপুর রেল জংশন স্টেশন লাগোয়া শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত শহীদ মিনারটি চারপার্শ্বের অবৈধ স্থাপনায়ঢাকা পড়েসৌন্দর্যহানীহয়। এ বিষয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের স্থানীয় নেতৃবৃন্দসহ শহরের শুধী জন এ সব অবৈধ স্থাপনা অপসারণের জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। দৈনিক জনকণ্ঠে১০ এপ্রিল রিপোর্ট প্রকাশিত হওয়ার পর স্থানীয় প্রশাসন উচ্ছেদ অভিযানের প্রস্তুতি নেয়। এ পর্যায়েপহেলা বৈশাখের আগের দিন সোমবার ৮টায় থেকে ১০টা পর্যাপ্ত পুলিশ ফোর্স নিয়ে ইউএনও ক্ষমতাপ্রাপ্ত নিবার্হী ম্যাজিস্টেট মোঃ রাহেনুল ইসলাম শহীদ মিনারের চারপাশের অবৈধ স্থাপনাসমূহ উচ্ছেদ করেন।