২১ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

পলাতক থেকেই ভোট চাইছেন নাশকতায় অভিযুক্ত প্রার্থীরা


মাকসুদ আহমদ, চট্টগ্রাম অফিস ॥ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে পলাতক থেকেই ভোট ভিক্ষা চাইছেন বিএনপি-জামায়াতের নাশকতাকারী হিসেবে চিহ্নিত সাবেক কাউন্সিলররা। প্রশ্ন উঠেছে কারা তাদের ভোট দেবেন। প্রার্থী নিজে অথবা নিজেদের প্রার্থীকে জয়ী করতে এখন নির্বাচনী মাঠে মরিয়া। এসব নাশকতাকারী ও ইন্ধনদাতারা নিজ নিজ এলাকায় অবস্থান করছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর থেকে শুরু করে কর্মী সমর্থক যারা নাশকতার সঙ্গে জড়িত ছিল তারা এখন প্রকাশ্যে ঘুরছে। কিন্তু পুলিশের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ। কারণ পুলিশের অভিযান বন্ধ রয়েছে।

আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে ঘিরে নগরীর ৪১টি ওয়ার্ডে এখন মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দের পর ভোটাররা প্রার্থীদের যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা যাচাইয়ের আলোচনা এবং সমালোচনায় চায়ের কাপে ঝড় তুলছেন। তবে গত সেশনে থাকা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বিএনপি ও জামায়াতের কাউন্সিলরদের মধ্যে অনেকের বিরুদ্ধে নাশকতার অভিযোগে মামলা রয়েছে। এ নিয়েও চলছে কানাঘুষা। গত তিন মাসে পেট্রোলবোমা হামলাসহ নাশকতার ঘটনায় কয়েক জামায়াত-বিএনপি কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে মামলা থাকায় তারা পলাতক রয়েছেন বলে থানার তদন্তে বেরিয়ে এসেছে।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুুলিশের দফতর সূত্রে জানা গেছে, দেশে রাজনৈতিক পরিস্থিতি নৈরাজ্যের দিকে ঠেলে দেয়া ও পেট্রোলবোমা হামলার মাধ্যমে নাশকতা সৃষ্টিকারীদের উস্কানিদাতা এবং অর্থের যোগানদাতা হিসেবে খ্যাত এসব কাউন্সিলর পুনরায় মনোনয়নপত্র গ্রহণ ও জমাদান করেছেন। মনোনয়নপত্র গ্রহণ ও জমা থেকে শুরু করে গণসংযোগ চলছে নাশকতাকারীদের আত্মীয়স্বজনের মাধ্যমে।

সিএমপির আরেকটি সূত্রে জানা গেছে, বিএনপি-জামায়াতের নাশকতাকারী হিসেবে চিহ্নিত ও ইন্ধনদাতা হিসেবে শনাক্ত সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর ভোট প্রার্থী। গত ৫ জানুয়ারি থেকে তিন মাসের নাশকতার ঘটনায় জামায়াত ও বিএনপির ৭ ওয়ার্ড কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে থানায় ও আদালতে।