২১ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

জয়পুরহাটে গ্রেফতার জামায়াত নেতাকে ছিনিয়ে নিল দলের ক্যাডাররা


নিজস্ব সংবাদদাতা, জয়পুরহাট, ১০ এপ্রিল ॥ জয়পুরহাটে গত ২ বছরের মধ্যে সংঘটিত বহু নাশকতার মামলার অন্যতম আসামি জামায়াত নেতা শাহ আলমকে (৩৫) শুক্রবার সন্ধ্যায় পুলিশ গ্রেফতার করলেও বিপুল সংখ্যক জামায়াত-শিবির কর্মী পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে শাহ আলমকে ছিনিয়ে নিয়েছে। তাদের হামলায় অন্তত ৮ জন ডিবি পুলিশের কর্মকর্তা ও পুলিশ আহত হয়েছে। এ সময় পুলিশ ৬ রাউন্ড গুলিবর্ষণ করেছে। আহত পুলিশ কর্মকর্তাদের জয়পুরহাট আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ২০১৩ সাল থেকে শুরু হওয়া অসংখ্য নাশকতার ঘটনার অন্যতম হোতা সদর উপজেলার আমদই ইউনিয়নের জামায়াতের সাবেক আমির বর্তমান জামায়াতের সদর উপজেলার এ্যাসিস্টেন্ট সেক্রেটারি ও হাঁটুভাঙ্গা দাখিল মাদ্রাসার সুপার শাহ আলমকে ডিবি পুলিশ ও সদর থানা পুলিশের একটি দল হাঁটুভাঙ্গা গ্রামে গিয়ে তার বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে। পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে নিয়ে আসছে এমন খবর পেয়ে মিটনা গ্রামের শিবির ক্যাডার নাহিদ ও দেলোয়ারের নেতৃত্বে জামায়াত-শিবিরের প্রায় শতাধিক নেতাকর্মী মিরগ্রাম চৌমহনী বাজারে জড়ো হয়। পুলিশের দল সেখানে আসলে প্রথমে বাঁশ দিয়ে পুলিশের গতিরোধ করে দেশীয় ধারালো অস্ত্র নিয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে গ্রেফতারকৃত শাহ আলমকে ছিনিয়ে নেয়। এ সময় ডিবির দুটি মোটরসাইকেল তারা ভাংচুর করে। জামায়াত-শিবিরের ক্যাডারদের হামলায় ৫ পুলিশ কর্মকর্তাসহ অন্তত ৮ জন ডিবি পুলিশ আহত হয়েছে। তাদের মধ্যে জয়পুরহাট আধুনিক হাসপাতালে ডিবির ইন্সপেক্টর মাহফুজুর রহমান (৪৫), এসআই আব্দুর রহিম (৫২), এসআই মোঃ সেলিম (৩৮), এসআই জাহাঙ্গির আলম (৩০), পুলিশ সদস্য জাফর হোসেনকে (৪০) ভর্তি করা হয়েছে। হামলার সময় আত্মরক্ষার্থে পুলিশ ৬ রাউন্ড গুলিবর্ষণ করে। পুলিশ সুপার মোল্যা নজরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আসামিদের গ্রেফতারের অভিযান চলছে। এসপি সার্কেল বিমান চন্দ্র কর্মকার ও সদর থানার ওসি আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ হাঁটুভাঙ্গা, রহমতপুর, মিটনা, মিরগ্রাম, চৌমহনী এলাকায় অবস্থান নিয়ে জামায়াত শিবিরের হামলাকারীদের ধরতে সাঁড়াশি অভিযান শুরু করেছে।

সম্পর্কিত:
পাতা থেকে: