২১ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

আগামীতে কোপাইলটের স্থানে বসবে রোবট!


একজন কো-পাইলটের ফরাসী আল্পস পর্বতে জার্মানউইংস সংস্থার একটি বিমানকে ইচ্ছাকৃতভাবে বিধ্বস্ত করার ঘটনায় বিশ্বজুড়ে এই বিতর্ক শুরু হয়েছে যে, একজন ক্রু সদস্যের মানসিক অসুস্থতার আরও উন্নত পরীক্ষা কিভাবে করা যায় এবং ককপিটে কাউকে একা রাখা যাবে না এই বিষয়টা কিভাবে নিশ্চিত করা যায়। তবে অনেক বিমান চালনা বিশেষজ্ঞদের মধ্যে এই আলোচনা অন্যরকম মোড় নিয়েছে। কয়েকজন এই বলে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন যে, বাণিজ্যিক বিমানগুলো চালানোর জন্য আসলে কতজন মানব পাইলটের প্রয়োজন পড়ে। এখন সেন্সর প্রযুক্তি কম্পিউটিং এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিষয়ে যে অগ্রগতি সাধিত হয়েছে তা মানব পাইলটের প্রয়োজনীয়তাকে কমিয়ে দিয়েছে। ইতোমধ্যে সরকারী সংস্থাগুলো কার্গো বিমানের কো-পাইলট, সম্ভবত উভয় পাইলটের কাজ রোবট অথবা দূর নিয়ন্ত্রিত চালক দিয়ে করানো যায় কিনা তা নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছে। নাসার আমেস গবেষণা কেন্দ্রের সেফ অটোনমাস সিস্টেম অপারেশন্স প্রজেক্টের ম্যানেজার পরিমল কোপারদেকার বলেন, ‘শিল্প এই অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসছে। আমরা এ ব্যাপারে আমাদের গবেষণা ও উন্নয়নের অর্থ নিয়োজিত আগ্রহী।’ ২০১৪ বিমান চলাচল সংস্থাগুলো ৮৫ লাখেরও বেশি ফ্লাইটে ৮৩ কোটি ৮৪ লাখ যাত্রী বহন করেছে। বাণিজ্যিক বিমান চালনা ইতোমধ্যে ব্যাপকভাবে স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থার আওতায় আনা হয়েছে। আধুনিক বিমানগুলো সাধারণত একটি কম্পিউটার অটোপাইলট দ্বারা চালানো হয়, যা গতি (মোশন) সেন্সর দ্বারা বিমানের অবস্থানের গতি নিয়ন্ত্রণ করে এবং প্রয়োজন মতো জিপিএস (গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম)-এর সাহায্যে তা সংশোধন করা হয়। বাণিজ্যিক বিমানের অবতরণ ব্যবস্থায় সফটওয়্যার সিস্টেমও ব্যবহার করা হয়। এয়ারলাইন পাইলটদের ওপর সম্প্রতি এক জরিপ চালিয়ে দেয়া গেছে যারা বোয়িং ৭৭৭ চালান তারা একটি সাধারণ ফ্লাইট পরিচালনায় মাত্র ৭ মিনিট হাতের (ম্যানুয়াল) ব্যবহার করেন। এয়ারবাস বিমানের পাইলটরা এর অর্ধেক সময় ব্যয় করেন। -ইন্টারন্যাশনাল নিউইয়র্ক টাইমস