১৯ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট ৬ ঘন্টা পূর্বে  
Login   Register        
ADS

বিআইএমটির পাঁচ ছাত্র গ্রেফতার ॥ জঙ্গীবাদী বই উদ্ধার


স্টাফ রিপোর্টার, নারায়ণগঞ্জ ॥ নারায়ণগঞ্জের ডন চেম্বার এলাকায় বাসে আগুন দেয়ার ঘটনায় বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব মেরিন টেকনোলজির (বিআইএমটি) পাঁচ ছাত্রকে গ্রেফতার করেছে বন্দর থানা পুলিশ। এদের কাছ থেকে বেশকিছু জঙ্গীবাদী বইও উদ্ধার করা হয়। মঙ্গলবার ভোরে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এদের মধ্যে শোভন নামে একজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছে। জবানবন্দীতে সে বেশকিছু তথ্য দিয়েছে এবং জড়িতদের নাম প্রকাশ করেছে বলে জানা গেছে।

বন্দর থানার ওসি নজরুল ইসলাম জানান, সোমবার বিকেলে মিশনপাড়া এলাকায় বাসে আগুন দেয়ার ঘটনায় এলাকাবাসী হাতেনাতে ইউসুফ হোসেন শোভন নামে এক শিবির কর্মীকে আটক করে। সে নারায়ণগঞ্জের বন্দরের বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব মেরিন টেকনোলজির দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। গ্রেফতারের পর সে ঘটনারা সঙ্গে সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করে। এ ঘটনায় তার সঙ্গে কারা ছিল তাদের নামও বলে সে। তার বক্তব্য অনুযায়ী বিআইএমটিতে মঙ্গলবার ভোরে অভিযান চালিয়ে পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়। এরা সবাই শিবিরের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।

ওসি আরও জানান, গ্রেফতারকৃতরা বিআইএমটির শিপবিল্ডিং এ্যান্ড ফেব্রিক্স বিভাগের ছাত্র। এরা হলো চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ থানার মাতুইন এলাকার আব্দুল হাকিমের ছেলে নাছির উদ্দিন (২০), টাঙ্গাইলের মধুপুর থানার জলটের গ্রামের আব্দুল হানিফের ছেলে মামুনুর রশিদ (১৬), পাবনার সাঁথিয়া থানার নাদিয়া গ্রামের মৃত মোজাম্মেল হকের ছেলে শিবলী সাদিক (১৯), চাপানিয়া গ্রামের প্রামাণিকের ছেলে হাবিবুর রহমান (১৯), নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের মুক্তিনগরের নয়ামাটি গ্রামের আবুল বাশারের ছেলে ইমন হোসেন (১৭)। তাদের কাছ থেকে বেশকিছু জঙ্গীবাদী বইও উদ্ধার করা হয়। শিবলী সাদিকের বিরুদ্ধে নাশকতার অভিযোগে একাধিক মামলা রয়েছে। জামায়াতের আমির মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীর বাড়ির অদূরে তার বাড়ি বলে পুলিশ জানায়।

গত সোমবার বিকেল চারটায় নারায়ণগঞ্জ শহরের ডন চেম্বার এলাকায় পেট্রোলবোমা মেরে যাত্রীবাহী বাসে আগুন দেয় জামায়াত-শিবির কর্মীরা। তারা কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করে পালিয়ে যায়। এ সময় একটি সিএনজি দিয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় এলাকাবাসী ধাওয়া করে ইউসুফ হোসেন শোভন নামে এক শিবির কর্মীকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। এ ঘটনায় পুড়ে যাওয়া আনন্দ বাসের ড্রাইভার সনি বাদী হয়ে নারায়ণগঞ্জ সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।

সম্পর্কিত:
পাতা থেকে: