২২ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

সিরিয়ায় আইএসের দখলে ফিলিস্তিনী শরণার্থী শিবির


ইসলামিক স্টেট চরমপন্থীরা সিরীয় রাজধানী দামেস্কের দক্ষিণে একটি বিস্তৃত ফিলিস্তিনী শরণার্থী এলাকা দখল করে নিয়েছে। এলাকাটি ইতোমধ্যে গত দু’বছর ধরে অবরুদ্ধ অবস্থায় ছিল এবং সেখানে ক্রমাগত বোমা হামলা করা হচ্ছিল। ফিলিস্তিনী, জাতিসংঘ কর্মকর্তা এবং শিবিরে বসবাসকারীরা একথা জানান। কর্মকর্তারা ঘটতে যাওয়া মহাবিপর্যয় প্রতিরোধে আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহ, সিরীয় সরকার এবং সকল সশস্ত্র গোষ্ঠীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। খবর নিউইয়র্ক টাইমসের।

শনিবার সেখানে হত্যা এবং শিরñেদের খবর ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে। ইয়ারমুক শরণার্থী শিবিরের ১৮ হাজার বাসিন্দা ইতোমধ্যে যে দীর্ঘস্থায়ী মানবিক বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়েছেন এ ঘটনায় তারা আরও ভয়াবহ পরিস্থিতির শিকার হতে যাচ্ছেন।

শিবিরের অধিকাংশ এলাকা দখল করে আইএস এ পর্যন্ত দামেস্ক অভিমুখে যাত্রায় বড় ধরনের সাফল্য অর্জন করল। রাজধানী থেকে অনেক দূরে সিরিয়ার উত্তর ও পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশগুলোতে উত্থিত চরমপন্থী গোষ্ঠীর জন্য এটা তাৎপর্যপূর্ণ অগ্রগতি।

শিবিরের অনেক বাসিন্দারই পূর্ববর্তী যুদ্ধের দুঃসহ অভিজ্ঞতা আছে। ১৯৪৮ এ ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর স্বদেশ ভূমি থেকে বিতাড়িত অথবা পালিয়ে আসা ফিলিস্তিনীদের বংশধররাই ওই শিবিরে আশ্রয় নিয়েছে।

১৯৪৮-এর ওই ঘটনাবলীকে ফিলিস্তিনীরা নাকবা বা মহাবিপর্যয় বলে গণ্য করে। শিবিরের ১ লাখ ৬০ হাজার বাসিন্দা তাদের বর্তমান চরম দুর্দশাকে দ্বিতীয় আকাবা বলে আখ্যায়িত করছে। শিবিরটিকে একসময় পশ্চিম তীর ও গাজার বাইরে ফিলিস্তিনী শরণার্থীদের বৃহত্তম সমাবেশ বলে বিবেচনা করা হতো।

ইসরাইলের সঙ্গে দীর্ঘদিনের ফিলিস্তিনী শান্তি আলোচনাকারী সায়েব এরেকতা শনিবার এক বিবৃতিতে বলেন, ‘৭শ’ দিনেরও বেশি সময় ধরে শিবিরটি এক দুঃসহ অবরোধের শিকার হয়েছে।’ তিনি ‘মৃত্যু ফাঁদ’ থেকে বেসামরিক লোকদের নিরাপদে সরে যাওয়ার পথ করে দিতে সকল পক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।