১৮ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট ৫ ঘন্টা পূর্বে  
Login   Register        
ADS

যুক্তরাষ্ট্রের নরম সুর


চীনের নেতৃত্বে পরিচালিত এশিয়ান ইনফ্রাস্টাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকের (এআইআইবি) প্রতি অবশেষে সুর নরম করল যুক্তরাষ্ট্র। বলা চলে বাধ্য হয়েছে। সব বন্ধুরাষ্ট্রকে অনুরোধ করা সত্ত্বেও কেউ কথা রাখেনি। একে একে সবাই যোগ দিয়েছে কিংবা দেয়ার অপেক্ষায় আছে। এমন বেগতিক পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের সুর নরম করা ছাড়া কিইবা করার আছে। মার্কিন অর্থমন্ত্রী জ্যাক লিউ সম্প্রতি বলেন যে, বিশ্বব্যাংক, আন্তর্জাতিক মুদ্রাতহবিলের পরিপূরক হিসেবে কাজ করবে এমন উন্নয়ন প্রতিষ্ঠানগুলোকে স্বাগত জানাবে যুক্তরাষ্ট্র। তাঁর এই কথায় প্রমাণ করে, তারা তাদের কঠোর অবস্থান থেকে সরে এসেছে।

বিনিয়োগ শঙ্কা

বিশ্ব অর্থনীতির খোঁজখবর

ব্যাংক অব জাপান সম্প্রতি এক জরিপ পরিচালনা করেছে। সে জরিপে শঙ্কা প্রকাশ করা হয় যে, চলতি অর্থবছরে বড় বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মূলধনি ব্যয়ের পরিমাণ ১ দশমিক ২ শতাংশ কমে যেতে পারে। অথচ এর আগের পূর্বাভাসে শিল্প খাতে শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধির কথা বলা হয়েছিল। জরিপ থেকে জানা যায়, গত অক্টোবরে জাপান সরকার আর্থিক প্রণোদনা কর্মসূচী এবং অবকাঠামোগত উন্নয়ন পদক্ষেপ নেয়ার পরও বিনিয়োগের পরিমাণ নগন্য। বিনিয়োগ কম হওয়ার পেছনে বিশ্লেষকরা বিক্রয় কর বৃদ্ধির কারণকে দায়ী করছেন।

ভারতের সেবা খাত

ভারত সরকার সেবা খাতের রফতানি বৃদ্ধির প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। আর তাই এ খাতে কর প্রণোদনা কর্মসূচী ‘সার্ভড ফ্রম ইন্ডিয়া স্কিম’কে কার্যকর করতে এর পরিধি বৃদ্ধির পরিকল্পনা করছে। বর্তমানে ভারতের রফতানি খাতটি বেশ কঠিন সময় পার করছে। আগে এই স্কিমের আওতায় সেবা রফতানিকারকরা ক্রেডিট রসিদ দেয়া হতো যার মাধ্যমে মূলধনি বা ভোগ্যপণ্য আমদানিতে শুল্ক প্রদান করতে পারতেন। এখন তারা এই সুবিধাটিকে টাকার মতোই ব্যবসায়ের কাজে লাগাতে পারবেন। অর্থাৎ রসিদটি তারা বাজারে বিক্রিও করতে পারবেন। এর মাধ্যেমে তারা ১৪ শতাংশ পর্যন্ত কর অব্যাহতিও পেতে পারেন। উল্লেখ্য, বর্তমানে ভারত মোট ১৪৫ বিলিয়ন ডলারের সেবাপণ্য রফতানি করে থাকে যা মোট রফতানির প্রায় অর্ধেক।

ইব্রাহিম নোমান