২১ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

কক্সবাজারে স্বাস্থ্যকর্মীকে গণধর্ষণের পর হত্যা


স্টাফ রিপোর্টার, কক্সবাজার ॥ প্রেমের সম্পর্ক গড়ে কক্সবাজারের হোটেলে এনে পালাক্রমে ধর্ষণ শেষে সূর্যের হাসি ক্লিনিকের এক মাঠকর্মীর মরদেহ হাসপাতালের বারান্দায় ফেলে গেছে বখাটেরা। কক্সবাজার শহরের ফুয়াদ আল খতীব হাসপাতাল থেকে মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টায় ওই স্বাস্থ্যকর্মীর লাশ উদ্ধার করেছে সদর থানা পুলিশ। নিহত কিশোরী রাবেয়া বশরী (১৭) উখিয়ার রতœাপালং রুহুল্লার ডেবার জয়নাল মিস্ত্রির মেয়ে ও উখিয়া সূর্যের হাসি ক্লিনিকের মাঠকর্মী বলে জানা গেছে।

শহরের ফুয়াদ আল খতীব হাসপাতালের নিরাপত্তাকর্মী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাত সাড়ে ৯টার দিকে ৩-৪ জন যুবক একটি সিএনজিযোগে চিকিৎসার জন্য এক কিশোরীকে হাসপাতালে এনে বারান্দায় ফেলে রেখে সটকে পড়ে। প্রাথমিক অবস্থায় ওই মহিলাকে অসুস্থ মনে হলেও পরে নিশ্চিত হওয়া গেছে এটি মৃতদেহ। কক্সবাজার সদর মডেল থানা পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে নিয়ে যায়।

তথ্য অনুসন্ধানে জানা গেছে, উখিয়া রুহুল্লার ডেবা গ্রামের রাবেয়া বশরী রাজাপালং সূর্যের হাসি ক্লিনিকে দায়িত্ব শেষে বাড়ি ফেরার পথে একই এলাকার সৌদি প্রবাসী মাহবুবুল আলমের পুত্র বখাটে আব্দুল্লাহ ওরফে টিটু, আলী আকবরের পুত্র জসিম উদ্দিন ও সিএনজিচালক তেলীপাড়ার জাফর আলমের পুত্র সাহাব উদ্দিন সিএনজি ট্যাক্সিতে করে প্রথমে ইনানী এলাকার একটি কটেজে নিয়ে যায়। সেখানে তাদের অবস্থা ও ভাবভঙ্গি সন্দেহজনক হওয়ায় কটেজ মালিক রুম দিতে অপারগতা প্রকাশ করে। পরে ধর্ষক টিটু ও জসিম রাবেয়া বশরীকে নিয়ে কক্সবাজারের কলাতলী এলাকার একটি হোটেলে রুম নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। কিশোরী রাবেয়া অজ্ঞান হয়ে পড়লে তাকে নিয়ে আসা হয় শহরের ফুয়াদ আল খতীব হাসপাতালে। নিহত রাবেয়া বশরীর পিতা জয়নাল মিস্ত্রি বলেন, আমার মেয়েকে বাসায় ফেরার পথে সূর্যের হাসি ক্লিনিকের সামনে থেকে স্থানীয় টিটু ও তার সহযোগী জসিম জোরপূর্বক অপহরণ করে হোটেলে নিয়ে গণধর্ষণ করে হত্যা করেছে। আমার মেয়ের হত্যাকারীদের বহনকারী সেই সিএনজিচালক তেলীপাড়া এলাকার সাহাব উদ্দিন প্রকাশ লাল পুতুকে ঘটনার পর রতœাপালং ইউপি সদস্য আকতার মেম্বার আটক করেও পুলিশে না দিয়ে ছেড়ে দিয়েছে। কক্সবাজার সদর থানার ওসি জানান, এ ব্যাপারে এজাহার পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।