২৪ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

দেশের বাইরেও সাফল্য ধরে রাখতে চায় অসিরা


স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ ঘরের মাঠে বড় মিশনটা সফলতায় শেষ। বিশ্বকাপ ট্রফি আর কেউ নিয়ে যেতে পারেনি। পঞ্চমবারের মতো ওয়ানডে বিশ্বকাপ জয়ের রেশ কাটেনি। কিন্তু এখনই অসিরা ভবিষ্যত চিন্তা শুরু করে দিয়েছে। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার (সিএ) নির্বাচক প্যানেলের চেয়ারম্যান রড মার্শ ও বোর্ড নিশ্চিত করতে চাইছে এবার দেশের বাইরেও ধারাবাহিক সাফল্য। তাদের মতে এখন ঘরোয়া সাফল্য থেকে দৃষ্টি সরিয়ে বিদেশের মাটিতে বিভিন্ন সিরিজে ভাল করার দিকে মনোযোগী হওয়া উচিত ক্রিকেটারদের এবং সেভাবেই প্রচেষ্টা চালানো উচিত।

বিশ্বকাপ জয়ের পর এখন স্বাভাবিকভাবেই প্রত্যাশা বেড়েছে অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দলকে নিয়ে। দলটির ভক্ত-সমর্থকরা এখন শুধু সাফল্য প্রত্যাশায় চেয়ে থাকবে। এ কারণে সিএ চাইছে দেশের মাটিতে কি অর্জিত হলো, কিভাবে হলো এবং প্রতিপক্ষরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারল কিনা সেটা নিয়ে আত্মতৃপ্তিতে যেন না ভোগেন ক্রিকেটাররা। বরং সেরা হওয়ার জন্য বিদেশের মাটিতেও সেরা নৈপুণ্য দেখাতে হবে সেটাই দলকে মনে করিয়ে দিলেন রড মার্শ। তিনি মনে করেন ২০০৫, ২০০৯ ও ২০১৩ সালে এ্যাশেজ হারের বেদনাটা কোনভাবেই মুছে যাবে না। বিশ্বকাপজয়ী হিসেবে যত পরিমাণ বিয়ার কিংবা শ্যাম্পেন দিয়ে উৎসব করা হোক না কেন কোনভাবেই ডুবিয়ে দেয়া যাবে না সেই হারের ক্ষত। এরপর ২০১৩ সালে ভারতের কাছে, আরব আমিরাতে গত বছর পাকিস্তানের কাছেও পরাজয় আছে। এ কারণে এখন বিদেশের বাইরে ভাল করাটা আরও কঠিন চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিতে হবে ক্রিকেটারদের। এ বিষয়ে মার্শ বলেন, ‘এখন আমরা ভাবছি কিভাবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে খেলব। সেখানে আমরা হারতে চাই না কোনভাবেই। আর সেভাবে আমরা এ্যাশেজে যেতেও চাই না। কাজেই আমাদের জিততে হবে। যতদিন আমরা সেটা করতে না পারব ততদিন বড় কোন দলে পরিণত হতে পারব না। আমরা অবশ্যই ঘরের মাটিতে অপ্রতিরোধ্য দল হতে চাই। কিন্তু এরচেয়েও জরুরী দেশের বাইরেও নিজেদের অপ্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে পরিণত করা। এ কারণে আমাদের করণীয় পন্থাটা বের করতে হবে।’

বিশেষ করে উপমহাদেশের উইকেটে বেশি সমস্যায় পড়তে হয়েছে অস্ট্রেলিয়াকে বরাবরই। সে জন্য এখন সেখানে ভাল করার দিকে মনোযোগী মার্শ। তিনি বলেন, ‘আমাদের খুঁজে বের করতে হবে কোন ক্রিকেটাররা উপমহাদেশের পরিবেশে ভাল করতে সক্ষম। তাদের নিয়েই উপযুক্ত একটি দল গড়তে হবে। অন্তত সেখানে যেন স্পিন আক্রমণের বিরুদ্ধে বিপর্যয় না ঘটে। আমাদের খেয়াল করে দেখতে হবে স্পিন বোলিংয়ের বিরুদ্ধে ভাল খেলতে সক্ষম কতজন ব্যাটসম্যান আমাদের আছে। আর সেটা সম্ভব আমাদের ‘এ’ দলের সফরগুলো বিশ্লেষণের মাধ্যমে।’ চলতি বছরের শেষদিকে ভারত ও বাংলাদেশ সফর করবে অস্ট্রেলিয়া। এর আগেই ভারত সফরে যাবে অস্ট্রেলিয়ার ‘এ’ দল। সেজন্য ওই সফরটাকে বেশ গুরুত্বের সঙ্গেই দেখছেন মার্শ। সেইসঙ্গে বিশেষ নজর রাখবে সিএ।

সর্বাধিক পঠিত:
পাতা থেকে: