২০ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট পূর্বের ঘন্টায়  
Login   Register        
ADS

চাঁপাই সীমান্তপথে পাচার হচ্ছে ডিজেল


স্টাফ রিপোর্টার, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ॥ আবার ডিজেল তেল পাচার শুরু হয়েছে। প্রতি বছর বোরো ইরি আবাদের ভরা মৌসুমে ডিজেল পাচার হওয়ার কারণে প্রশাসন থেকে সীমান্ত এলাকায় চাষীদের চাহিদা মাফিক রেশনিং বা কার্ড সিস্টেম করে দেয়া হতো। এমনকি সীমান্তের পাম্পগুলোকে ডিজেল সরবরাহে বিধিনিষেধ আরোপসহ বড় ধরনের মনিটরিং ও নজরদারি করা হতো। এবার এ ধরনের কোন বিধিনিষেধ না থাকায় শুরু হয়েছে সীমান্ত পথে ডিজেল পাচার। গত ১৯ মার্চ বৃহস্পতিবার সদর উপজেলার বাখরআলী সীমান্তে বিজিবি পরিত্যক্ত অবস্থায় ৬শ’ লিটার ডিজেল উদ্ধার করলে সমগ্র সীমান্তে তোলপাড় পড়ে যায়। এ ডিজেল পদ্মার বামতীর সংরক্ষণ ১০ নং বাধ এলাকা থেকে বিজিবির টহল দল মালিকবিহীন অবস্থায় ডিজেল উদ্ধার করে। বাংলাদেশ সংলগ্ন ভারতের মুর্শিদাবাদ ও মালদহ জেলার বিশাল বিল এলাকার বোরো ইরি আবাদে প্রয়োজনীয় সেচ কাজের পুরোটাই হয়ে থাকে বাংলাদেশ থেকে পাচার হয়ে যাওয়া ডিজেলে। আর তাই সীমান্তজুড়ে তেল পাচারকারী সিন্ডিকেট সক্রিয় হয়ে উঠেছে। তারা বিভিন্ন উপায়ে ডিজেল সংগ্রহ করে ভারতে ঠেলে দিচ্ছে। বিশেষ করে ল্যান্ডবর্ডার হয়ে অধিক হারে ডিজেল যাচ্ছে। সদর উপজেলার নারায়ণপুর, শিবগঞ্জের পাকাসহ বিনোদপুর, শাহবাজপুর, কামালপুর, সোনামসজিদ সংলগ্ন বিশাল এলাকা এবং ভোলাহাটের চামুসা সীমান্ত পথে প্রতিদিন ২৪ ঘণ্টা পাইপ লাইনের চেয়েও অধিক গতিতে ডিজেল পাচার হচ্ছে। বিশেষ করে ভোলাহাটের কাজী জালালের আমবাগান হয়ে প্রতিরাতে শত শত লিটার ডিজেল যাচ্ছে মালদহ জেলার বিভিন্ন অংশে। পাশাপাশি গোমস্তাপুর এলাকার ১১টি পয়েন্ট হয়ে বোরো আবাদি জমির মধ্য দিয়ে ডিজেল যাচ্ছে ভারতে। এসব এলাকায় উভয় দেশের ডিজেল পাচারের বাড়তি সুবিধা রয়েছে। বাংলাদেশের চাষীদের যোগসাজশে চোরাকারবারিরা ডিজেল পাচার করছে প্লাস্টিকের পাত্রে ভরে।