২৩ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

পাবনায় ১৬ শিক্ষার্থী ও চার শিক্ষক নিয়ে চলছে স্কুল


নিজস্ব সংবাদদাতা, পাবনা, ২৯ মার্চ ॥ সুজানগর উপজেলার সিংহনগর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১৬ শিক্ষার্থীর বিপরীতে ৪ শিক্ষক কর্মরত রয়েছেন। নদী ভাঙ্গনের কারণে সিংহনগর গ্রামটি বিলীন হওয়ায় স্কুলটিতে শিক্ষার্থী পাওয়া যাচ্ছে না। এ অবস্থায় প্রতিমাসে সরকারকে বিপুল অঙ্কের টাকা গচ্চা দিতে হচ্ছে।

জানা গেছে, ১৯৩০ সালে পদ্মা নদীর তীরে ৩৩ শতাংশ জমিতে এ স্কুলটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। সে সময় জনবহুল এলাকা হওয়ায় ৪ শিক্ষককে পাঠদান করতে হিমসিম খেতে হতো। ২০০৩ সালে দুই দফা পদ্মার ভাঙ্গনে স্কুলের টিনশেড ভবনটি বিলীন হয়ে যায়।

এরপর এলাকাবাসী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে পদ্মা নদীর পাশে সিংহনগর মৌজায় মুছা খাঁর জমিতে দুইকক্ষ বিশিষ্ট টিনের ঘর তুলে বিদ্যালয়ের কার্যক্রম চালায়। কিন্তু বিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রম এলাকা সিংহনগর গ্রামটি নদীতে বিলীন হওয়ায় বর্তমানে সিংহনগর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী পাওয়া যাচ্ছে না। ভাঙ্গনপরবর্তী সিংহনগর গ্রামের বাসিন্দারা পাশের হরিরামপুর, ভাটপাড়া, কন্দপপুর ও শ্যামনগর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে লেখাপড়া করছে। কেবলমাত্র সিংহনগর স্কুল পার্শ্ববর্তী কয়েকটি বাড়ির ১৬ শিক্ষার্থী এই স্কুলে পড়ালেখা করছে। বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সাইদুর রহমান জানিয়েছেন, মাত্র ১৬ শিক্ষার্থী নিয়ে স্কুলটি চালানোয় সরকারের বিপুল অঙ্কের টাকা গচ্চা দিতে হয়। অন্য স্কুলের সঙ্গে একত্রিভূত করলে এ সমস্যার সমাধান সম্ভব। এ ব্যাপারে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সৈয়দা নার্গিস আক্তার জানিয়েছেন, বিষয়টি উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। সরকারী নীতিমালার বাধ্যবাধকতার কারণে স্কুলটি অন্যত্র স্থানান্তর সম্ভব হচ্ছে না।