২০ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট ৭ ঘন্টা পূর্বে  
Login   Register        
ADS

হামলার শাস্তি হবে কী?


৫ জানুয়ারি থেকে বিএনপি-জামায়াত জোটের টানা অবরোধ-হরতালে দেশের বিভিন্ন স্থানে যাত্রীবাহী বাসে পেট্রোলবোমা নিক্ষেপ করে নিরীহ মানুষকে হত্যা করা হচ্ছে। মানবতাবিরোধী এসব ঘটনায় বিএনপি-জামায়াত জোটের জঙ্গী ও সন্ত্রাসীরা হাতে-নাতে ধরা পড়লেও বলা হচ্ছে, তারা ২০ দলের কেউ নয় বরং এসব সন্ত্রাসী কর্মকা- সরকারী দলের লোকেরাই করছে। বেগম খালেদা জিয়াসহ তথাকথিত সুশীল সমাজের (সবাই নয়) ভাষ্যমতে, নাশকতা করছে আওয়ামী লীগ। নাশকতাকারীরা যেহেতু ২০ দলের কেউ নয়, তাহলে তারা (হামলাকারী) হয় জঙ্গী নয়তো সরকারী দলের লোক। সেই পরিপ্রেক্ষিতে বলতে হয় নাশকতা করতে গিয়ে ধরা পরা সন্ত্রাসীকে গণপিটুনি না দিয়ে হাত-পা ভেঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিকট সোপর্দ করাই শ্রেয়। আমরা জানি বিষয়টা অমানবিক কিন্তু দানবের পেট্রোল বোমাবাজদের আগুনে যখন আমাদের আপনজন বার্ন ইউনিটে যন্ত্রণায় কাতরায় কিংবা মারা যায় তখন কী মানবিক বিষয়ে একবারের জন্যও চিন্তা করা হয়? যদি করা হতো তাহলে যাত্রীবাহী গাড়িতে ককটেল কিংবা পেট্রোলবোমা নিক্ষেপের সপক্ষে সুশীল বাবুরা যুক্তি দিতেন না। আমরা নিরীহ মানুষ, কোন অবস্থাতেই মহামানব নই। সুতরাং আমাদেরও রাগ, দুঃখ, বেদনা এবং ক্ষোভ থাকা স্বাভাবিক। তাই দানবদের সঙ্গে দানবের মতো আচরণই প্রকাশ পাবে। কোন অবস্থাতেই সভ্য আচরণ কিংবা অহিংসা প্রযোজ্য হবে না। আমরা সবাই জানি ১৯৭১-এ দানবরা গণহত্যা চালিয়ে ছিল, তারা এখনও আন্দোলনের নামে একই ঘটনা ঘটাচ্ছে। কারণ পরাজয়ের গ্লানি পাকিস্তান এখনও ভুলতে পারেনি। আইএসআইয়ের পরিকল্পনায় এসব কর্মকা- করে বাংলাদেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্ব দরবারে উপস্থাপনের চেষ্টায় লিপ্ত। তাই স্বাধীনতার সকল পক্ষকে অবশ্যই ঐক্যবদ্ধ হয়ে দানবদের প্রতিরোধে এগিয়ে আসা এখন সময়ের দাবি।

একে বড়ুয়া

সাতকানিয়া, চট্টগ্রাম।