১৮ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট ৬ ঘন্টা পূর্বে  
Login   Register        
ADS

অমিতাভ রেজার প্রথম চলচ্চিত্র ‘আয়নাবাজি’


অমিতাভ রেজার প্রথম চলচ্চিত্র ‘আয়নাবাজি’

স্টাফ রিপোর্টার ॥ নন্দিত নির্মাতা অমিতাভ রেজার পরিচালনায় প্রথমবারের মতো নির্মিত হতে যাচ্ছে একটি চলচ্চিত্র। চলচ্চিত্রের নাম ‘আয়নাবাজি’। চলচ্চিত্রটি প্রযোজনা করবে কনটেন্ট ম্যাটারস লিমিটেড এবং হাফ স্টপ ডাউন লিমিটেড। সম্প্রতি এ চলচ্চিত্র নির্মাণের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা উপলক্ষে শনিবার সকালে প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলের ব্যালকনি হলে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে উপস্থিত ছিলেনÑ ‘আয়নাবাজি’ চলচ্চিত্রের পরিচালক অমিতাভ রেজা, কনটেন্ট ম্যাটারস লিমিটেডের পক্ষে ‘আয়নাবাজি’ চরচ্চিত্রের প্রযোজক জিয়াউদ্দিন আদিল ও গাউসুল আলম শাওন, অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী প্রমুখ। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ইতোমধ্যে চলচ্চিত্রটির প্রাথমিক কাজ শেষ হয়েছে। চলচ্চিত্রটির কলাকুশলী হিসেবে যাঁদের প্রাথমিকভাবে নির্বাচন করা হয়েছে তাঁরা হলেনÑ চঞ্চল চৌধুরী, লুৎফর রহমান জর্জ, হীরা চৌধুরী, শওকত ওসমান, গাউসুল আলম শাওন এবং আরও অনেকে। চলচ্চিত্রের কাহিনী, ভাবনা ও চিত্রনাট্য গাউসুল আলম শাওন, সংলাপ অনম বিশ্বাস ও আদনান আদীব খান, চিত্রগ্রাহক রাশেদ জামান, নির্বাহী প্রযোজক এশা ইউসুফ, সম্পাদক ইকবাল এ কবির। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ‘আয়নাবাজি’ চলচ্চিত্রে তুলে ধরা হবে এ শহরের ভেতরে আরও একটা শহর আছে... যার গল্প এখন আমরা আর শুনি না। চলচ্চিত্র নাটকেও তাকে দেখা যায় না। ‘আয়নাবাজি’ সেই শহরের গল্প। যে শহরে এখনও সকালে দুধওয়ালা আসে, ফেরিওয়ালারা হাঁকডাক দেয়, বাচ্চারা দল বেঁধে নাটক শিখতে যায়। মহল্লার পুরীর দোকানে চা খাওয়া ও ঠাট্টা-মশকরা করা হয়। আয়না সেই শহরের একজন বাসিন্দা। সহজ আর সরল, সেখানে তার একাকী জীবন আর ছোট বাচ্চাদের নিয়ে একটা নাটকের দল। তার মাঝে হঠাৎ হয়ে যায় একটা সহজাত প্রেম। জীবনের প্রয়োজনে সে নতুন শহরে আসে। কিন্তু মুখোশ পাল্টিয়ে অন্য মানুষ হয়ে, চেনা কিছু মানুষের ডাকে। আয়না তার ফেলে আসা প্রেম আর নাটকের স্কুলের কাছে যেন আর ফিরে যেতে পারে না। যে অভিনয়কে ভালবেসে আয়না এ শহরকে মঞ্চ বানাতে চায়, সেই মঞ্চ একদিন হয়ে যায় ফাঁসির মঞ্চ যার জল্লাদের হাসির কাছে এ শহরের সেরা অভিনেতা পরাজয়ের শেষ বিন্দুতে দাঁড়িয়ে থাকে। এ যুগের স্পার্টাকাস আয়না যেন তার শেষ নাটকের মঞ্চে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করে মানুষখেকো মানুষগুলোর।