১৭ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

ইইউ ত্যাগে ব্রিটেনের গচ্চা


ব্রিটেন ইইউ ত্যাগ করতে পারে, এমন কথা বেশ চাউর। ধারণা করা হচ্ছে দেশটি ২০১৮ সালের পহেলা জানুয়ারি থেকে ইইউ ত্যাগ করতে পারে। সম্প্রতি গবেষণা প্রতিষ্ঠান ওপেন ইউরোপ জানাচ্ছে, যদি ব্রিটেন ইইউ ত্যাগ করে তবে দেশটিকে ২০৩০ সাল পর্যন্ত প্রতিবছর গচ্চা দিতে হবে ৮৪ বিলিয়ন ডলার। তাদের প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখা যায়, ব্রিটেন ইইউ ত্যাগ করলে দেশটির জিডিপি বর্তমানে ইইউতে থাকাকালীন সময়ে যা আছে তা থেকে কমে যাবে ২ দশমিক ২ শতাংশ। জিডিপি কমা থেকে ব্রিটেন উদ্ধার পেতে পারে যদি ইইউ থেকে বেরিয়ে গেলেও এদের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি করে এবং সে সঙ্গে বিশ্বের অন্যান্য দেশের ব্রিটেনে বাণিজ্য করার জন্য সীমান্ত বাধা তুলে নেয়। তবে ইইউ থেকে বেরিয়ে গিয়ে মুক্ত অর্থনীতির দেশ গঠন করা ব্রিটেনের জন্য বেশ কঠিনই বলে মনে করেন ওপেন ইউরোপের চেয়ারম্যান রডনি লিচ।

চাঙ্গা হচ্ছে ইউরোজোন

ইউরোজোন বেশ চাঙ্গা হয়ে গেছে। প্রমাণ এমাসে প্রকাশিত মারকিটের পারচেজিং ম্যানেজার্স ইনডেক্স। ফেব্রুয়ারিতে ইনডেস্কটির অবস্থান ছিল ৫৩ দশমিক ৩ পয়েন্ট আর এ মাসে তা বেড়ে গিয়ে দাঁড়ায় ৫৪ দশমিক ১ শতাংশ।

এটি গত চার বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ সূচক। আট দেশের পাঁচ হাজার পারচেজিং ম্যানেজারের উপর জরিপ চালিয়ে তারা সূচকটি তৈরি করেছে। ব্যবসায় কার্যক্রম কতটুকু বেড়েছে বা কমেছে, পণ্যমূল্য, কর্মসংস্থান ও ক্রয়াদেশ সংক্রান্ত প্রশ্নের ভিত্তিতে সূচকটি তৈরি করা হয়েছে।

সবগুলো প্রশ্নের ক্ষেত্রেই ইতিবাচক উত্তর পাওয়া গেছে। এখনকার চেয়ে আগামী কয়েক মাস ইউরোজোনের অর্থনীতি আরও ভাল যাবে তারও ইঙ্গিত তাদের কথাবার্তায় পাওয়া গেছে।

যুক্তরাষ্ট্রে শ্রমবাজার বৃদ্ধি

যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বেশ সুখবরই। দেশটির শ্রমবাজার ও সেবাখাতের প্রবৃদ্ধি বেড়েছে। বেকার ভাতার জন্য যে পরিমাণ আবেদন পড়বে বলে ধারণা করা হয়েছিল, তার চেয়ে অনেক কম আবেদন গত সপ্তাহে করা হয়েছে। অর্থনীতিবিদরা বেকার ভাতার দাবি ২ লাখ ৯০ হাজার হবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছিলেন। কিন্তু আবেদন পড়েছে ২ লাখ ৮২ হাজার।

এছাড়া দেশটির সেবা খাতের কার্যক্রম বিগত ছয় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থানে পৌঁছেছে। দেশটির প্রথম প্রান্তিকে আর্থিক গতি শ্লথ ছিল। কারণ কম বৈশ্বিক চাহিদা, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া এবং শ্রমিক অসন্তোষ। এ কারণে ধারণা করা হচ্ছিল, আর্থিক গতি শ্লথ থাকবে দ্বিতীয় প্রান্তিকেও। কিন্তু শ্রমবাজার ও সেবা খাতের প্রবৃদ্ধি অর্থনীতি সচল থাকবে সেটাকেই ইঙ্গিত করছে।

ইব্রাহিম নোমান