২৩ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

ফরাবী পাঁচ দিনের রিমান্ডে


ফরাবী পাঁচ দিনের রিমান্ডে

অনলাইন ডেস্ক ॥ লেখক ও ব্লগার অভিজিৎ রায় হত্যা মামলায় গ্রেফতারকৃত শফিউর রহমান ফারাবীর ফের পাঁচদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তির অভিযোগে রাজধানীর শেরে বাংলানগর থানায় তথ্যপ্রযুক্তি আইনে দায়ের করা মামলায় তার এ রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে।

অভিজিৎ হত্যাকাণ্ডে শাহবাগ থানায় দায়ের হওয়া মামলায় ৪ দিনের রিমান্ডে ছিলেন ফারাবী। রিমান্ড শেষে তাকে বুধবার দুপুরে ঢাকার সিএমএম আদালতে হাজির করা হয়। ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তির মামলায় সাতদিনের রিমান্ডের আবেদন জানান মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা শেরে বাংলানগর থানার এসআই আব্দুর রউফ।

শুনানি শেষে পাঁচদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিবুল হকের আদালত।

এ নিয়ে চতুর্থ দফায় মোট ২৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর হলো ফারাবীর। এর মধ্যে অভিজিৎ হত্যা মামলায় গত ৪ থেকে ১৩ মার্চ দশদিন ও ২১ থেকে ২৪ মার্চ চারদিন এবং তথ্য প্রযুক্তি আইনে রমনা থানার মামলায় ১৪ থেকে ১৯ মার্চ পাঁচদিনসহ টানা ১৯ দিনের রিমান্ডে ছিলেন তিনি।

অভিজিৎকে হত্যার হুমকিদাতা ফারাবীকে গত ২ মার্চ যাত্রাবাড়ী থেকে আটক করে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। পরে তাকে গোয়েন্দা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। গোয়েন্দা পুলিশ অভিজিৎ হত্যাকাণ্ডে দায়ের হওয়া মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখায় এবং ১০ দিনের রিমান্ডে আনে।

তথ্যপ্রযুক্তি আইনে রমনা থানার মামলাটি গত ১৪ মার্চ দায়ের করেন ডিবি’র পরিদর্শক ফজলুর রহমান। মামলাটিতে তসলিমা নাসরিনের লেখা বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকায় প্রকাশিত হওয়ায় সম্পাদক নঈম নিজামকেসহ বিভিন্ন ব্যক্তিকে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ করা হয় ফারাবীর বিরুদ্ধে। এছাড়া ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তি করার অভিযোগে শেরে বাংলানগর থানায় গত বছর দায়ের করা হয়েছিল আরও একটি মামলা।

বইমেলা থেকে ফেরার পথে টিএসসির সামনে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ৯টার দিকে মুক্তমনা ব্লগের প্রতিষ্ঠাতা, লেখক ও ব্লগার অভিজিৎ রায় ও তার স্ত্রী রাফিদা আহমেদ বন্যাকে কুপিয়ে মারাত্মক জখম করে দুর্বৃত্তরা। পরে তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসকরা অভিজিৎ রায়কে মৃত ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত বন্যাকে পরে যুক্তরাষ্ট্রে নেওয়া হয়।

ওই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পরদিন অজ্ঞাতসংখ্যক আসামি করে শাহবাগ থানায় মামলা করেন অভিজিতের বাবা শিক্ষাবিদ ড. অজয় রায়।