১৮ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

হিলারির পরিবারের মধ্যেই আছেন অর্থ যোগানদাতারা


মার্ক মেজভিনস্কি সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রীর জামাতা। তিনি পেশায় একজন অর্থ ব্যবস্থাপক। বছর পাঁচেক আগে তিনি ক্লিনটন দম্পতির মেয় চেলসা ক্লিনটনকে বিয়ে করেন। ক্লিনটন দম্পতির জামাতা হিসাবে পরিচয় দিতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। নিউইয়র্ক টাইমস।

ক্লিনটন ফাউন্ডেশনের তহবিল সংগ্রহ অনুষ্ঠানগুলোতে মিজভিনস্কি নিয়মিত উপস্থিত থাকেন। সেলেব্রিটিদের নিয়ে আয়োজিত একটি ফ্যামিলি কার্ড গেম অনুষ্ঠানে সম্প্রতি তিনি এক অতিথিকে বলেন, ‘আপনি সম্ভবত আমার শ্বশুরের নাম শুনে থাকবেন।’ কয়েকদিন আগে দেখা গেল এমনি এক অনুষ্ঠানে বিল ক্লিনটনের ঠিক পাশের আসনটিতে মিজভিনস্কি বসেছেন। জামাতা হওয়া ছাড়াও মিজভিনস্কি ক্লিনটন পরিবারের জন্য আরও যে কারণে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছেন তা হলো তার ওয়াল স্ট্রিটে কাজ করার অভিজ্ঞতা ও বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা। ২০১১ সালে তিনি প্রতিষ্ঠাতা করেন আরও কয়েকজনের সঙ্গে যৌথভাবে প্রতিষ্ঠা করেন হেজ ফান্ড (ঝুঁকি হ্রাসকারী বিনিয়োগ ফার্ম) ইগলিভেল পার্টনারস। মিজভিনস্কি যে প্রতিষ্ঠানের সহপ্রতিষ্ঠাতা তার চেলসা ভাইস চেয়ারম্যান। বৃহৎ মার্কিন বিনিয়োগ ব্যাংক গোল্ডম্যান স্যাকসে আট বছর কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে মিজভিনস্কির। বর্তমানে ইগলিভেলের মোট সম্পত্তির পরিমাণ তিন ট্রিলিয়ন ডলার। বিভিন্ন সাক্ষাতকার ও আর্থিক দলিলপত্র ঘেঁটে নিউইয়র্ক টাইমস সাময়িকীটি জানতে পেরেছে যে, ১১ সালে মিজভিনস্কি যখন ওই ফার্মটি খোলেন তখন থেকেই এতে বিনিয়োগকারীদের একটি বড় অংশই ছিলেন ক্লিনটন দম্পতির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিবর্গ। বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ছিলেন মার্ক লেসরি এবং জেমস লিটনারের মতো হেজ ফান্ড ম্যানেজাররা, ছিলেন গোল্ডম্যান স্যাকসের কর্মকর্তারাও। বিশেষ করে গোল্ডম্যানের শীর্ষ নির্বাহী লয়েড ব্ল্যাঙ্কফেইনের নাম এখানে উল্লেখযোগ্য। ইগলিভেলের অনেক বিনিয়োগকারী ইতোমধ্যেই হিলারি ক্লিনটনের প্রচারাভিযানের জন্য অর্থ ব্যয় করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রে আগামী বছর অনুষ্ঠেয় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হিলারি ডেমোক্র্যাট দলের প্রার্থী হবেন বলে ব্যাপকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। ফার্ম প্রতিষ্ঠার অল্প সময়ের মধ্যে ৪০ কোটি ডলারের মতো বিশাল পরিমাণ বিনিয়োগ এতে ফিরে এসেছে। কারা এই বিনিয়োগকারী সেটা অবশ্য জানা যায়নি। কারণ হেজ ফান্ডগুলো তাদের বিনিয়োগকারীদের পরিচয় প্রকাশ করে না। লক্ষণীয় ক্লিনটন পরিবারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দাতব্য ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান রাজনীতির চক্রে জড়িয়ে পড়ছে। এসব খবর এমন সময় প্রকাশ পেতে শুরু করেছে যখন পরবর্তী নির্বাচনের দিকে দৃষ্টি রেখে সম্ভাব্য প্রার্থীরা নিজেদের প্রস্তুতি শুরু করতে যাচ্ছেন।