২২ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট পূর্বের ঘন্টায়  
Login   Register        
ADS

গলাচিপায় সাবেক এমপি রনির দখল করা ১১০ স্থাপনা উচ্ছেদ শুরু


নিজস্ব সংবাদদাতা, পটুয়াখালী, ১৮ মার্চ ॥ গলাচিপা উপজেলার উলানিয়া বন্দরের কাছে রণগোপালদী নদী তীরের জমি অবৈধভাবে দখল ও ভরাট করে গড়ে তোলা ১১০টি স্থাপনা উচ্ছেদের কাজ শুরু করেছে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার সকাল থেকে গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ মাহবুব আলম, পটুয়াখালীর নির্বাহী হাকিম মঈন উদ্দিন খন্দকার এবং গোকুল চন্দ্র কবিরাজের নেতৃত্বে উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়। জানা গেছে, ২০০৮ সালের আগস্ট মাসে পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনের সাবেক সাংসদ গোলাম মাওলা রনির নির্দেশে তাঁর সমর্থকরা উলানিয়া বন্দরের পূর্ব পাশে রণগোপালদী নদীর পশ্চিম তীরের সাড়ে চার একরেরও বেশি জমি দখল করে বালু দিয়ে ভরাট করে। পরে ভরাট করা জমিতে আধা শতাংশ করে প্লট করে প্রতিটি প্লট দুই লাখ থেকে আড়াই লাখ টাকায় বিক্রি করে। এভাবে মোট ১২৩টি প্লট বিক্রি করেন সাংসদ রনির সমর্থকরা। গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মাহবুব আলম জানান, গত কয়েক মাস ধরে রণগোপালদী নদী তীরের এ জমিসহ উলানিয়া বন্দরের বিভিন্ন দাগের সরকারী খাস জমি অবৈধ দখলদারদের কাছ থেকে উদ্ধারের প্রক্রিয়া চলছে। প্রথমপর্যায়ে ১০৯টি উচ্ছেদ মামলা করা হয়। স্থাপনা ভেঙ্গে দেয়ার আগে মাইকিং করে অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নিতে বলা হয়েছে। এক মাস আগে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের জন্য চূড়ান্তভাবে নোটিশ করা হয়েছে। মঙ্গলবার থেকে ১০৯টি উচ্ছেদ মামলার বিপরীতে ১১০টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের কাজ শুরু হয়েছে।

বাগেরহাটে ধর্ষিত বিধবা উদ্ধার

স্টাফ রিপোর্টার, বাগেরহাট ॥ রামপাল উপজেলায় এবার এক স্বামীহারা মধ্যবয়সী নারীকে (৩৩) তুলে নৌকায় নিয়ে ধর্ষণ করেছে দুর্বৃত্তরা। অবরুদ্ধ অবস্থায় ছয় দিন পর মঙ্গলবার রাতে কুমারখালী গ্রাম থেকে গুরুতর অসুস্থ ওই নারীকে উদ্ধার করে বাগেরহাট সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বুধবার বিকেলে তার ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। তার ১৩ বছর বয়সী এক মেয়ে রয়েছে। এ ঘটনার পর রাতেই ওই নারীর দেবর বাদী হয়ে অজ্ঞাত পরিচয় চার যুবককে আসামি করে একটি মামলা করেছেন।

প্রতিবাদ

গত শনিবার জনকণ্ঠে প্রকাশিত টেন্ডার ভাগাভাগিতে এককাট্টা আওয়ামী লীগ বিএনপি শিরোনামের সংবাদের একাংশের প্রতিবাদ করেছে পৌর থানা ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক যথাক্রমে নাসির উদ্দীন আহমেদ, এস এম শামিম ও আবু বক্কর সিদ্দিক নান্নু। প্রতিবাদ লিপিতে তারা দাবি করেছেন টেন্ডারবাজিতে বিএনপি নেতাকর্মীরা জড়িত নয়। এর দায় পৌর মেয়রের ওপরই বর্তায়। নেতাকর্মীদের বিভ্রান্ত করার জন্য এ ধরনের অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।