২২ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট ৯ ঘন্টা পূর্বে  
Login   Register        
ADS

দক্ষিণ চীন সাগরের জন্য আচরণবিধি তৈরির আহ্বান


ভিয়েতনাম ও অস্ট্রেলিয়া বুধবার দক্ষিণ চীন সাগরে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়ে সেখানে একতরফা শক্তি প্রয়োগের বিরুদ্ধে সতর্ক করে দিয়েছে। এতে স্পষ্টত চীনের ক্রমবর্ধমান উপস্থিতির দিকে ইঙ্গিত করা হয়েছে, যা বিরোধপূর্ণ অঞ্চলজুড়ে উদ্বেগ বৃদ্ধি করেছে। ভিয়েতনামী প্রধানমন্ত্রী নগুয়েন তান দুং তাঁর অস্ট্রেলীয় প্রতিপক্ষ টনি এ্যাবটের সঙ্গে ক্যানবেরায় সাক্ষাত করেছেন, সেখানে তাঁরা নিরাপত্তা ও জলবায়ু পরিবর্তনসহ বিভিন্ন প্রশ্নে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করবেন। খবর ইয়াহু নিউজের।

ভিয়েতনাম ও অন্যান্য সতর্ক দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় দেশগুলো দক্ষিণ চীন সাগরের বিরোধপূর্ণ দ্বীপপুঞ্জে চীনের ভূমি পুনরুদ্ধারের নীতির ব্যাপারে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। বেইজিং এর জবাবে বলেছে, দেশটি আন্তর্জাতিক সীমান্ত বদলিয়ে ফেলার কোন চেষ্টা করছে না।

নগুয়েন তান দুং অস্ট্রেলীয় পার্লামেন্টকে জানিয়েছেন, দক্ষিণ চীন সাগরের জন্য একটি আচরণবিধি প্রণয়নের জরুরী প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে। তিনি বলেন, আমরা সংযম প্রদর্শন করতে এবং একতরফাভাবে স্থিতাবস্থা পরিবর্তনে শক্তি প্রয়োগসহ এ অঞ্চলে উত্তেজনা বৃদ্ধি করতে পারে এমন প্রদক্ষেপ গ্রহণ থেকে বিরত থাকতে একমত হয়েছি। চীন দক্ষিণ চীন সাগরের প্রায় ৯০ শতাংশ এলাকা দাবি করে থাকে এবং এর আওতা তথাকথিত নাইন-ড্যাশ ডটেড লাইন দিয়ে সরকারী মানচিত্রে চিহ্নিত করা হয়েছে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার প্রত্যন্ত সাগর পর্যন্ত এর বিস্তৃতি।

মস্কো অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন শি জিনপিং, কিম জং উন

রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ মঙ্গলবার বলেছেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অবসান উদ্্যাপন উপলক্ষে মস্কোতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও উত্তর কোরীয় নেতা কিম জং উন। খবর ওয়েবসাইটের।

লাভরভ বলেন, ২৬টি দেশের প্রধানরা ৯ মে অনুষ্ঠেয় অনুষ্ঠানে তাদের উপস্থিত থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ অবসানের ৭০তম বার্ষিকী উপলক্ষে অনুষ্ঠানটির আয়োজন করা হবে। উত্তর কোরিয়া ও রাশিয়ার মধ্যে সম্পর্ক সম্প্রতি আরও ঘনিষ্ঠ হয়েছে। উত্তর কোরিয়া ও রাশিয়া এ মাসে ঘোষণা করেছে, ২০১৫ সাল হবে দু’দেশের ‘মৈত্রীর বছর’।