২৪ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট ৭ ঘন্টা পূর্বে  
Login   Register        
ADS

কিশোরগঞ্জে সড়কের পাশের মরা গাছ কেটে নিচ্ছে দুর্বৃত্তরা


নিজস্ব সংবাদদাতা, কিশোরগঞ্জ, ১৬ মার্চ ॥ জেলার হোসেনপুর-পাকুন্দিয়া উপজেলার আঞ্চলিক সড়কের প্রায় ৩ কিলোমিটার রাস্তার দু’পাশের মরা গাছ রাতের আঁধারে কেটে নিয়ে যাচ্ছে দুর্বৃত্তরা। স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় এসব গাছ কেটে বিক্রি করে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

জানা গেছে, হোসেনপুর থেকে পাকুন্দিয়া আঞ্চলিক সড়কের দৈর্ঘ্য ৯ কিলোমিটার। এর মধ্যে ৩ কিলোমিটার রাস্তার দু’পাশে ১৯৯৪-৯৫ সালে মেহগনি, আকাশমণি, শিশু গাছসহ বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় ৪ থেকে ৫শ’টি গাছ লাগানো হয়। বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা প্রশিকা ভূমিহীন সমিতির মাধ্যমে বন বিভাগের সহযোগিতায় এসব বৃক্ষ রোপণ করে। কয়েক সপ্তাহ আগে ওই সড়কের ৩ কিলোমিটার দূরত্বে দু’পাশে লাগানো রাস্তার প্রায় দেড় শতাধিক গাছ প্রাকৃতিকভাবে মরে গেছে। এসব মরে যাওয়া গাছ এখন রাতের আঁধারে কেটে নিয়ে যাচ্ছে দুর্বৃত্তরা।

সরেজমিন দেখা গেছে, গাছগুলোর সমস্ত পাতা ইতোমধ্যে ঝরে পড়েছে। গাছগুলো এখন শুকনো কাঠে পরিণত হয়েছে।

কিশোরগঞ্জ জেলা বন বিভাগের ফরেস্ট রেঞ্জার নারায়ণ চন্দ্র দাস জানান, হোসেনপুর-পাকুন্দিয়া সড়কে লাগানো গাছগুলো মরে যাচ্ছে শুনেছি। আর এসব গাছ কেউ কেটে নিয়ে গেলে প্রমাণসাপেক্ষে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ ব্যাপারে অধঃস্তনদের খোঁজখবর নিতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। মরে যাওয়া গাছগুলো যথাযথ প্রক্রিয়ায় বিক্রি করে সেই টাকা দরিদ্রদের মাঝে হস্তান্তর করা হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।

বরিশালে পৌর মেয়রের নেতৃত্বে হামলা ॥ বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি ভাংচুর

স্টাফ রিপোর্টার, বরিশাল ॥ ঠিকাদারি কাজের বিরোধকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার দুপুরে পুলিশের উপস্থিতিতে জেলার গৌরনদী পৌরসভা মেয়রের নেতৃত্বে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে উপজেলার মাহিলাড়া ইউনিয়ন পরিষদ, ডিগ্রী কলেজ, মসজিদ, মর্ডান ক্লাব, তিনটি বাস কাউন্টারসহ দশটি ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর, লুটপাট করা হয়েছে। হামলায় থানার ওসি, দু’পুলিশ সদস্যসহ স্থানীয় ১২ ব্যবসায়ী আহত হয়েছেন। হামলাকারীরা ইউনিয়ন পরিষদে টাঙ্গানো বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীসহ বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসকের ছবি ভাঙচুর করেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ দু’রাউন্ড ফাঁকা গুলিবর্ষণ করেছে।

স্থানীয় ব্যবসায়ী ও আহতদের সূত্রে জানা গেছে, মাহিলাড়া ভায়া সরিকল এলাকার একটি সড়কের ঠিকাদারি কাজের বিরোধকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার সকালে পৌর মেয়রের বড় ভাই আকবর হোসেন ফারুকের সঙ্গে মাহিলাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সৈকত গুহ পিকলুর বাকবিত-া হয়। মাহিলাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগ নেতা সৈকত গুহ পিকলু জানান, এ ঘটনার জের ধরে দুপুর সাড়ে বারোটার দিকে হারিছুর রহমানের নেতৃত্বে পৌরসভার কর্মচারী, প্রটোকল চালকসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রায় দু’শতাধিক ক্যাডাররা সশস্ত্র অবস্থায় মাহিলাড়া বাজারে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে হামলা চালায়।