১৯ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

মেঘনায় জেলেদের সঙ্গে সংঘর্ষে চার পুলিশ আহত ॥ আটক ৩


নিজস্ব সংবাদদাতা, চাঁদপুর, ১৪ মার্চ ॥ মৎস্যসম্পদ রক্ষায় নৌপুলিশের নিয়মিত অভিযানের সময় মেঘনায় জেলেদের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়েছে। এ সময় নৌপুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়ে। পরে জেলেরা পুলিশকে লক্ষ্য করে নৌকা থেকে বৃষ্টির মতো ইট পাটকেল নিক্ষেপ করলে চার পুলিশ আহত হয়।

শুক্রবার বিকেল সাড়ে চারটা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত সদর উপজেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা ফিরোজ আলমের নেতৃত্বে নৌপুলিশ অভিযান চালায়। সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশ হরিণা ফেরিঘাটের দক্ষিণে নন্দীঘাট সংলগ্ন মেঘনা নদী থেকে তিনজনকে আটক করে। আটকরা হলো গোবিন্দিয়া গ্রামের সোনামিয়ার ছেলে শাহজাহান (২৫), মৃত সত্তর বিহারীর ছেলে আবুল হোসেন (৪৫) ও কাশেম গাজীর ছেলে আরিফ হোসেন (২০)। আটকদের বিরুদ্ধে আলুর বাজার ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আব্দুল হাই বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন।

জানা গেছে, মৎস্য কর্মকর্তার নেতৃত্বে নৌপুলিশ যৌথ অভিযানকালে মেঘনা নদীর হরিণা নন্দীঘাট এলাকায় ১৫ থেকে ১৬টি নৌকায় প্রায় ৭০-৮০ জেলে অবাধে জাটকা ইলিশ নিধন করতে দেখে। এ সময় নৌপুলিশের এএসআই শরিয়তউল্লাহ ফোর্স নিয়ে জেলেদের ধাওয়া করে এবং একটি নৌকাসহ ৭-৮ জনকে আটক করে। এ সময় অন্য জেলেরা নৌকা নিয়ে নৌপুলিশকে চারদিকে ঘিরে ফেলে এবং আটকদের ছাড়িয়ে নেয়ার চেষ্টা করে। তারা নৌপুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এ সুযোগে নৌকায় থাকা ৫-৬ জন নদীতে ঝাঁপ দিয়ে পালিয়ে যায়। পরে নৌপুলিশ তিনজনকে আটক করতে সক্ষম হয়। জেলেদের ছোড়া ইটপাটকেলে আলুরবাজার ফাঁড়ির এএসআই শরিয়তউল্লাহ, কামরুল ইসলাম, কনস্টেবল আবুল কাশেম ও জামাল আহমেদ আহত হয়। পুলিশ আত্মরক্ষার জন্য এ সময় কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি করে। পরে জেলেরা পালিয়ে যায়। আহত চার নৌপুলিশকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়।

সম্পর্কিত:
পাতা থেকে: