১৭ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

গৃহবধূ ও ট্রাক্টর চালক খুন ॥ কৃষকসহ তিন লাশ উদ্ধার


জনকণ্ঠ ডেস্ক ॥ নারায়ণগঞ্জে গৃহবধূ ও হবিগঞ্জে ট্রাক্টর চালককে হত্যা করা হয়েছে। এছাড়া কলাপাড়ায় কৃষক, ঈশ্বরদীতে অজ্ঞাত ব্যক্তি ও দামুড়হুদায় অজ্ঞাত শিশুর লাশ উদ্ধার হয়েছে। খবর স্টাফ রিপোর্টার, নিজস্ব সংবাদদাতা ও সংবাদদাতাদের।

নারায়ণগঞ্জ ॥ নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় পারিবারিক কলহে শ্বশুরবাড়িতে স্ত্রীকে হত্যা করে পালিয়েছে স্বামী। নিহতের নাম সুমি (১৮)। শহরের ফতুল্লা থানার ২৩, নিউ চাষাঢ়া জামতলা এলাকার হাজী আব্দুল মালেকের বাড়ির ষষ্ঠ তলার একটি ফ্ল্যাটে শনিবার সকালে এ ঘটনা ঘটে। সুমি ওই ফ্ল্যাটে বসবাসকারী আক্তার হোসেন ও রিজিয়া বেগমের দ্বিতীয় মেয়ে।

হবিগঞ্জ ॥ তালাক দেয়ায় হবিগঞ্জে জুয়েল মিয়া (২৭) নামে এক ট্রাক্টর চালককে নৃশংসভাবে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শুক্রবার রাত ১১টার দিকে জেলার সদর উপজেলাধীন রতনপুর গ্রামে এই হত্যাকা-ের ঘটনা ঘটে।

কলাপাড়া ॥ এক কৃষকের ঝুলন্ত মৃতদেহ পুলিশ উদ্ধার করেছে। শনিবার দুপুরে দক্ষিণ খাপড়াভাঙ্গা গ্রাম থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। নিহতের নাম হাবিব ফকির (২৮)। পুলিশ লাশটির ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মর্গে পাঠিয়েছে। নিহতের দুই স্ত্রী রয়েছে।

ঈশ্বরদী ॥ দাশুড়িয়া ইউনিয়নের মাড়মী বটতলা ওমরের ঢালে ওমরের দোকানের মাচা থেকে অজ্ঞাতনামা (৫৫) ব্যক্তির মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার সকালে পথচারীরা মৃত ব্যক্তিকে দেখতে পেয়ে ইউপি সদস্য ফজলুল হককে খবর দেয়। ফজলুল হক ঘটনাস্থলে আসার পর পুলিশে খবর দেয়।

দামুড়হুদা ॥ উপজেলার ডুগডুগি এলাকার একটি পুকুর থেকে ৭-৮ মাস বয়সের একটি অজ্ঞাত শিশুর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার দুপুর ২টার দিকে এ লাশ উদ্ধার করে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত অজ্ঞাত ব্যক্তির পরিচয় পাওয়া যায়নি।

মা ও ৩ মেয়ে হত্যা মির্জাপুরে চূড়ান্ত চার্জশীট দাখিল, বাদী নাখোশ

নিজস্ব সংবাদদাতা, মির্জাপুর, ৭ মার্চ ॥ মির্জাপুরে মা ও তিন মেয়েকে ঘুমন্ত অবস্থায় ঘরে পেট্রোল ঢেলে পুড়িয়ে হত্যা মামলার চার্জশীট দাখিল করা হয়েছে। গত ২৫ ফেব্রুয়ারি মামলার দদন্তকারী কর্মকর্তা মির্জাপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শ্যামল কুমার দত্ত হাতে লেখা ৮ পৃষ্ঠার এ চার্জশীট দাখিল করেন। এতে ৬ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। ঘটনার ৫ মাস পর এ চাঞ্চল্যকর হত্যাকা-ের চার্জশীট আদালতে দাখিল করা হয়। দাখিলকৃত চার্জশীটে নাখোশ বাদী মোফাজ্জল হোসেন।

ঘটনার সংক্ষিপ্ত বিবরণ ॥ গত বছর ৬ অক্টোবর ঈদ-উল-আযহার রাতে মেয়ে বিয়ে দিতে রাজি না হওয়ায় মজিবুর রহমানের স্ত্রী হাসনা বেগম ও তিন মেয়ে গোড়াই উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর ছাত্রী মনিরা আক্তার, বাকপ্রতিবন্ধী মিম আক্তার ও ব্র্যাক নার্সারির ছাত্রী মলি আক্তারকে একই গ্রামের বাহার উদ্দিনের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম তার সহযোগীদের নিয়ে ঘুমন্ত অবস্থায় ঘরে পেট্রোল ঢেলে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করে।