১৮ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

সন্ধ্যায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের উপস্থিতি নিশ্চিতের উদ্যোগ


স্টাফ রিপোর্টার ॥ দেশের সরকারী হাসপাতালগুলোতে সান্ধ্যকালীন রাউন্ডে বিশেষজ্ঞ ও সিনিয়র চিকিৎসকদের উপস্থিতি নিশ্চিতকরণে উদ্যোগ নিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। প্রাথমিক পর্যায়ে রাজধানীর শেরেবাংলানগরের সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল, মহাখালীর ক্যান্সার ও বক্ষব্যাধি হাসপাতালে এ ব্যবস্থা কার্যকর করার নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। পর্যায়ক্রমে দেশের সব ক’টি সরকারী হাসপাতালে তা চালু করা হবে। এতে বিকেল ও সন্ধ্যায় ভর্তি হওয়া রোগীদের যথাযথ চিকিৎসাসেবা পাওয়ার মাত্রা বাড়বে বলে মনে করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ‘সরকারী হাসপাতালে চিকিৎসাসেবার মান বৃদ্ধিকরণ’ শীর্ষক সভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম এ নির্দেশ দেন। সভায় অন্যান্যের মধ্যে প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক, স্বাস্থ্য সচিব সৈয়দ মন্জুরুল ইসলাম, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডাঃ দীন মোঃ নুরুল হক, স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক (হাসপাতাল) অধ্যাপক ডাঃ সামিউল ইসলাম এবং সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল, মহাখালীর ক্যান্সার ও বক্ষব্যাধি হাসপাতালের পরিচালকরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেন, চিকিৎসাসেবার মান বাড়াতে এবং সাধারণ মানুষের যথাযথ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতকরণে বদ্ধপরিকর বর্তমান সরকার। অনেক সময় সরকারী হাসপাতালে সান্ধ্যকালীন রাউন্ডে বিশেষজ্ঞ ও সিনিয়র চিকিৎসক উপস্থিত না থাকার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে বিকেল ও সন্ধ্যায় ভর্তি হওয়া রোগীরা বিশেষজ্ঞ ও সিনিয়র চিকিৎসকদের দেখা পান না। রোগীদের যথাযথ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতকরণে প্রাথমিক পর্যায়ে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল, মহাখালীর ক্যান্সার ও বক্ষব্যাধি হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ এবং সিনিয়র চিকিৎসকদের উপস্থিতি নিশ্চিতকরণের বিষয়টি কার্যকর করা হবে। পরবর্তীতে তা সারাদেশে বাস্তবায়ন করা হবে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ক্যান্সার হাসপাতালে ৩শ’ শয্যা অচিরেই চালু করতে হবে। বক্ষব্যাধি হাসপাতালের আশপাশে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান চালাতে হবে। আর সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের জরুরী বিভাগকে প্রাঙ্গণের আরও সম্মুখভাগে আনতে হবে। এতে আগত রোগীদের সুবিধা হবে। যে কোন মূল্যে সরকারি হাসপাতালগুলোর মান বজায় রাখতে হবে বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

সভা সমাপ্তির পর অনুষ্ঠিত হয় ‘ অকেজো যন্ত্রপাতি নিষ্পত্তিকরণ এবং অব্যবহৃত যন্ত্রপাতি চালুকরণ’ শীর্ষক আরেকটি সভা। এখানেও স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম সভাপতিত্ব করেন। সভায় জানানো হয়, টাস্কফোর্সের সুপারিশ অনুযায়ী অব্যবহৃত যন্ত্রপাতিগুলোর শতকরা ৯০ ভাগ চালু করা হয়েছে। আর মেরামতযোগ্য নষ্ট যন্ত্রপাতিগুলোর শতকরা ৭০ ভাগ সচল করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, গত এক বছরে ৫ হাজার ৪৭৬টি যন্ত্রপাতি মেরামত করা হয়েছে যা গত ২০১৩ সালের তুলনায় তিনগুণ বেশি।