২৪ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

প্রধানমন্ত্রী আজ কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম যাচ্ছেন


স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম অফিস ॥ চট্টগ্রামের প্রথম আন্তর্জাতিক মানের পাঁচ তারকা হোটেল রেডিসন ব্লু আজ রবিবার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বাংলাদেশ সেনা কল্যাণ ট্রাস্টের অর্থায়নে সেনাবাহিনীর মালিকানাধীন এ হোটেলটির বাণিজ্যিক কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির নতুন দিগন্তের সূচনা হতে যাচ্ছে। কক্সবাজারের রামু সেনানিবাস উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দুপুরে রেডিসন ব্লু’র আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করবেন। প্রায় ৫শ’ কোটি টাকা ব্যয়ে এ হোটেলটি নির্মাণ করা হয়েছে। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রথমে কক্সবাজারের রামু যাবেন। সেখানে তিনি উদ্বোধন করবেন রামু সেনানিবাস। সফরসূচী অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী রামু থেকে হেলিকপ্টারযোগে বেলা ১২টা ৪০ মিনিটে চট্টগ্রাম সেনানিবাসে অবতরণ করবেন। এরপর তিনি সরাসরি চলে যাবেন নবনির্মিত ‘হোটেল রেডিসন ব্লু’ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে। আনুষ্ঠানিকভাবে তিনি হোটেলটির ফলক উন্মোচন করবেন এবং হোটেল পরিদর্শন করবেন। সেখানে তিনি মধ্যাহ্ন ভোজে অংশ নেবেন। বিকেল সাড়ে ৩টায় প্রধানমন্ত্রী ঢাকায় ফিরে যাবেন।

এদিকে, প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে নগরীতে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে। সাজানো হয়েছে চট্টগ্রামের প্রথম পাঁচ তারকা হোটেল রেডিসনের আশপাশ এলাকা। রং-বেরঙের পতাকা দিয়ে সাজানো হয়েছে সড়ক দ্বীপ। রেডিসনের আঙিনাতেও বঙ্গবন্ধু এবং প্রধানমন্ত্রীর বিশাল প্রতিকৃতি স্থাপন করা হয়েছে। আলোক ঝলমল ও বিশেষভাবে সাজানো হয়েছে রেডিসনকে। এছাড়া পুলিশ, র‌্যাব এবং গোয়েন্দা সংস্থার নিরাপত্তা তৎপরতা রয়েছে শহরের স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে। প্রধানমন্ত্রী আসা-যাওয়ার সড়ক পথও সংস্কার কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

স্টাফ রিপোর্টার কক্সবাজার থেকে জানান, দশম পদাতিক ডিভিশন এবং এর অধীনস্থ নবগঠিত ব্রিগেড-ইউনিটসমূহের পতাকা উত্তোলন অনুষ্ঠানে আজ রবিবার রামুতে আসছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রামুর বৌদ্ধ বিহার ও পল্লীতে চরম সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ঘটনার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এটি তৃতীয় সফর। রোহিঙ্গা জঙ্গীসহ সাম্প্রদায়িক অপশক্তি ২০১২ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর রাতে জেলার রামুতে প্রাচীন ১২টি বৌদ্ধ বিহারে অগ্নিসংযোগ ও বড়ুয়া পল্লীতে সহিংস হামলা চালিয়ে ধ্বংসযজ্ঞে পরিণত করার ঘটনার পর ৮ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরেজমিনে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করতে রামু এসেছিলেন। সহিংস হামলায় (২৯ সেপ্টেম্বর) রামুর বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের জীবনে যে সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প ভরা কালো রাতের সূচনা হয়েছিল, তা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাহসী ও আন্তরিক পদক্ষেপের ফলে অঙ্কুরে বিনষ্ট হয়েছে। ঘটনার পর সেনাবাহিনীর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মানের অত্যাধুনিক স্থাপত্য শৈলীতে এক বছরেই পুনর্নির্মিত দৃষ্টি নন্দন বৌদ্ধ বিহারগুলো উদ্বোধন করতে প্রধানমন্ত্রী ২০১৩ সালের ৩ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয় বার রামু আসেন।

সম্পর্কিত:
পাতা থেকে: