১৮ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

সন্ত্রাসীদের চিহ্নিত করতে নিরাপত্তা বাহিনীকে সহায়তা করবে ফেসবুক


ফেসবুক ব্রিটেনের সরকারকে বলেছে, সম্ভাব্য সন্ত্রাসীদের চিহ্নিত করতে ওয়েবসাইটটি নিরাপত্তা বাহিনীকে সহায়তা করবে। এই উদ্দেশে সম্ভাব্য হুমকিদাতাদের ‘দ্রুত শনাক্ত করার’ মতো কারিগরি প্রস্তুতি নিচ্ছে ফেসবুক। ব্রিটেনের কর্তৃপক্ষ বৃহস্পতিবার এ কথা জানিয়েছে। খবর টেলিগ্রাফ অনলাইনের।

ফিউসিলিয়ার লি রিগবি নামে এক সৈন্য প্রায় দুই বছর আগে নিহত হওয়ার পর ফেসবুকের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে যে, হত্যার হুমকিদাতাদের বিষয়ে ওয়েবসাইটটি কর্তৃপক্ষকে পর্যাপ্ত তথ্য দিয়ে সহায়তা করেনি। এরই প্রেক্ষাপটে ওয়েবসাইটটি এখন বলছে তাদের নেটওয়ার্কের মধ্যে থাকা যেকোন হুমকিমূলক তথ্য নজরদারিতে রাখা হবে, যেন নিরাপত্তা বাহিনী সম্ভাব্য হুমকিদাতাদের বিষয়ে খোঁজখবর নিতে পারে। নিরাপত্তা বাহিনীকে সহায়তা দিতে ফেসবুক এবার অঙ্গীকার করল। কারণ রিগবির ঘটনার জনপ্রিয় এই সামাজিক ওয়েবসাইটটির বিরুদ্ধে তথ্য দিয়ে সহায়তা করতে ব্যর্থতার অভিযোগ উঠেছে। প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন একাধিকবার বলেছেন, কর্তৃপক্ষকে তথ্য দিয়ে সহায়তা করা ফেসবুকের মতো সাইটগুলোর নৈতিক দায়িত্ব। কারণ হত্যা ও বিশৃঙ্খলা তৈরির কাজে অপরাধীরা এসব নেটওয়ার্ক কাজে লাগাচ্ছে। বর্তমানে ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১শ’ কোটি ছাড়িয়ে গেছে। রিগবি ২০১৩ সালের ২২ মে লন্ডনের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত উলউইচ ব্যারাকের সামনে এ্যাডোবোয়াল ও মাইকেল এ্যাডেবোলাজের হাতে নিহত হয়েছিলেন। গত বছর ব্রিটেনের নিরাপত্তা বাহিনীগুলো অভিযোগ করে যে, ফেসবুক নিরাপত্তা বাহিনীকে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে সহায়তা করতে ব্যর্থ হয়েছে। মাইকেল এ্যাডেবোয়াল নামে একজন ফেসবুক ব্যবহারকারী বেশ ‘স্পষ্ট এবং দৃঢ়তার সঙ্গে’ ওই ব্রিটিশ সৈন্যকে হত্যার হুমকি দিয়েছিলেন।

তাকে হত্যার পাঁচ মাস আগে তিনি হুমকির ইচ্ছা ফেসবুকে প্রকাশ করেছিলেন। সম্প্রতি প্রকাশিত ব্রিটেনের পার্লামেন্টের ইন্টেলিজেন্স এ্যান্ড সিকিউরিটি কমিটির (আইএসসি) এক প্রতিবেদনে ফেসবুকের দিকে অভিযোগের আঙ্গুল তুলে বলা হয় যে, সামাজিক যোগাযোগ সাইটটি ওই হুমকিকে সতর্কতার সঙ্গে গ্রহণ করেনি। তবে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সন্ত্রাসবাদ নিয়ে আলোচনার জন্য ফেসবুক এ্যাডোবোয়ালের এ্যাকাউন্টটি বন্ধ করে দিয়েছিল। তবে এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষকে কিছু জানায়নি। ব্রিটেনের এমপিরা এখন ফেসবুককে সন্ত্রাসীদের ‘নিরাপদ স্বর্গ’ হিসাবে অভিহিত করেছেন।