১৫ ডিসেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট পূর্বের ঘন্টায়  
Login   Register        
ADS

কক্সবাজারে সহিংস হামলার ছক ভণ্ডুল ॥ ৫ জঙ্গীর জামিন বাতিল


এইচএম এরশাদ, কক্সবাজার ॥ রোহিঙ্গা জঙ্গীদের সমর্থিত রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী ও রোহিঙ্গাদের নিয়ে শোডাউন করার আগেই জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে ভয়ঙ্কর জঙ্গী ছালামত উল্লাহসহ পাঁচ জঙ্গীকে। সোমবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাকিম তাদের জামিন বাতিল করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। এদিন আদালত থেকে হাজিরা দিয়ে এসে দুইদিন পর নাইক্ষ্যংছড়িতে এদেশের বাসিন্দা বলে দাবিকারী সন্ত্রাসী রোহিঙ্গা আরএসও ক্যাডার এবং বিএনপি-জামায়াতের লোকজনকে নিয়ে বড় আকারে শোডাউন করার পরিকল্পনা ছিল জঙ্গী ছালামত উল্লাহর। এ লক্ষ্যে সকল প্রস্তুতিও সম্পন্ন করা হয়েছিল। মিয়ানমার সংলগ্ন নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত অঞ্চলে বসবাসকারী এবং কক্সবাজারে বিভিন্ন স্থানে থাকা ভাসমান রোহিঙ্গাদের সভাস্থলে আনতে বহু গাড়িও রিজার্ভ করা হয়। আগামীকাল বৃহস্পতিবার নাইক্ষ্যংছড়ি মাঠে স্থান নির্ধারণ করে শফি উল্লাহর সংবর্ধনার আদলে চালানো হয় ব্যাপক প্রচার। এ বিষয়ে গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিতব্য সভা-সমাবেশের ভাল-মন্দ বিবরণ দিয়ে আগাম রিপোর্ট দিয়েছে উচ্চ মহলের কাছে। ফলে ভেস্তে গেছে বিএনপি-জামায়াত ও জঙ্গীদের নাশকতার পরিকল্পসা। ভ-ুল হয়ে গেছে সাম্প্রদায়িক অপশক্তির সহিংস হামলার পরিকল্পিত ছক। গোয়েন্দা সূত্র জানায়, ছালামতের সঙ্গে গ্রেফতার হওয়া শফি উল্লাহকে সংবর্ধনা দেয়া উপলক্ষে পার্বত্য নাইক্ষ্যংছড়িতে বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিতব্য সমাবেশে শায়খ ছালামত উল্লাহসহ আরএসও ক্যাডাররা উপস্থিত হওয়ার সম্ভাবনা ছিল। এ ভয়ঙ্কর জঙ্গীর সঙ্গে আরএসও জঙ্গীরা উপস্থিত হলে আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটার বিষয়টি মাথায় রেখে কাজ করে প্রশাসন। এদিকে রবিবার ছদ্মবেশে নাইক্ষ্যংছড়িতে এসে আরএসও সভাপতি হাফেজ জাবের তাদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে সন্ত্রাসী রোহিঙ্গাদের পরামর্শ দিয়েছে বলে সূত্রে জানা গেছে। মৌলানা বেশে নাইক্ষ্যংছড়িতে রোহিঙ্গা পাড়ায় ১ দিন অবস্থানকারী জঙ্গী হাফেজ জাবেরকে পুলিশ খুঁজছে বলে জানা গেছে। কক্সবাজার শহরের হাসেমিয়া মাদ্রাসার পাশে ঘর করে বসবাসকারী আএসও’র সভাপতি ২৩ নবেম্বর থেকে গা-ঢাকা দিয়েছে। কক্সবাজার জেলা পুলিশ সুপার শ্যামল নাথ বলেন, জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সকল ধরনের প্রস্তুতি নিয়ে মাঠে কাজ করছে পুলিশ, বিজিবি, র‌্যাব ও আনসার সদস্যরা।