২০ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

যৌথ টহলে সীমান্ত অনেকটাই শান্ত কমেছে হত্যাকাণ্ড


মামুন-অর-রশিদ, কলকাতা থেকে ফিরে ॥ বাংলাদেশ ও ভারত দুই দেশের সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশ আর গরুসহ মাদকের চোরাচালান হ্রাসের পাশাপাশি এখন বিগত যে কোন সময়ের চেয়ে সীমান্তে হত্যাকা- কমেছে বলে দাবি করেছেন ভারতের সীমান্তরক্ষী ফোর্সের (বিএসএফ) উর্ধতন কর্মকর্তারা। মুলত উভয় সীমান্তে হত্যা বন্ধ, চোরাচালান নিয়ন্ত্রণ ও সীমান্তে শান্তি প্রতিষ্ঠাকে এখন চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছে বিএসএফ।

একই সঙ্গে এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় দুই দেশের সরকারের মধ্যে কিছু সমস্যার সমাধান হওয়া উচিত বলেও মত দিয়েছেন। এছাড়া অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করা, সীমান্তে আরও ‘সীমান্ত হাট’ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা। এ ব্যাপারে দুই দেশের সরকারের মধ্যে সুষ্ঠু সুরাহা হলে সীমান্তে অপরাধ অনেক কমে আসবে। সেই সঙ্গে শূন্যে নেমে আসতে পারে সীমান্তে হত্যাকা- কিংবা গুলির ঘটনা। ইতোমধ্যে কিছু পদক্ষেপের কারণে সীমান্তে আগের চেয়ে পরিস্থিতি এখন অনেকটাই শান্ত বলে দাবি করেছে বিএসএফ। সীমান্তে হত্যা বন্ধে ইতোমধ্যে বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিজিবি) সঙ্গে রাতে সীমান্ত এলাকায় যৌথ (বিজিবি-বিএসএফ) টহলের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সীমান্তরক্ষীরা আক্রান্ত না হলে গুলি না চালানোসহ কিছু পদক্ষেপের কারণে এখন দুই দেশের সীমান্ত অনেক বেশি শান্ত বলে দাবি করেছে বিএসএফ।

বিএসএফ কর্মকর্তারা দাবি করেন, সীমান্তে হত্যাসহ কিছু অনাকাক্সিক্ষত ঘটনার জন্য অধিকাংশ ক্ষেত্রে গরু ও মাদক চোরাচালান দায়ী। এছাড়া অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করা হলে সীমান্তপথে মানব পাচার, বিশেষ করে নারী পাচার ও মাদক পাচার বহুলাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।

সম্প্রতি কলকাতায় বিএসএফের অফিসার্স মেসে বিএসএফের সাউথ বেঙ্গল ফ্রন্টিয়ার্সের মহাপরিদর্শক (আইজি) সদ্বীপ সালুঙ্গে দুই দেশের সাংবাদিকদের সম্মানে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বলেন, ভারত সরকারের কঠোর নির্দেশ আছে সীমান্তে গোলাগুলি করা যাবে না। তাঁরা সেটা মেনে চলছেন। বিএসএফ সদস্যরা সীমান্তে চোরাকারবারি ও অপরাধীদের দ্বারা আক্রান্ত না হলে গুলি করছেন না।

বিএসএফের উর্ধতন কর্মকর্তারা সাংবাদিকদের জানান, গরু ও ফেনসিডিলের চোরাচালানের কারণে বেশিরভাগ সময় সীমান্তে অস্থিরতা বিরাজ করে। গরু ও মাদকের চোরাচালান ক্ষেত্রে সৃষ্ট সমস্যা সমাধানের জন্য দুই দেশের যৌথ টহল জরুরী। ইতোমধ্যে সীমান্তের কিছু কিছু স্থানে যৌথ টহল শুরু হলেও এটা আরও বিস্তৃত করতে চায় ভারত।

সম্পর্কিত:
পাতা থেকে: