১৯ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

আনা ফ্রাঙ্ক


আনা ফ্রাঙ্ক একজন জার্মান কিশোরী। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে সংঘটিত হলোকাস্টের মর্মান্তিক শিকার আনা ফ্রাঙ্ক। ১৯৪৫ সালের মার্চে নাজি বাহিনীর কনসানট্রেশন ক্যাম্পে আনার মৃত্যু হয়। এই কিশোরীর পুরো পরিবার দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মর্মান্তিকতায় মৃত্যুবরণ করে, কেবল আনার পিতা বেঁচে ছিলেন সেই ঘটনার সাক্ষী হয়ে। ১৯৪৭ সালে অটো ফ্রাঙ্ক আনার লেখা ডায়েরি বই আকারে প্রকাশ করে। যা বিশ্বে আনা ফ্রাঙ্কের ডায়েরি নামে ব্যাপক পরিচিতি। আনা ফ্রাঙ্ক সম্ভবত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে অন্যতম আলোচিত এক নাম। আনা ফ্রাঙ্কের লেখা ডায়েরি প্রকাশিত হওয়ার পর তা নিয়ে চলচ্চিত্রও নির্মিত হয়।

আনা ফ্রাঙ্ক ১৯২৯ সালের ১২ জুন জার্মানিতে জন্মগ্রহণ করেন। বাবা-মার কনিষ্ঠ সন্তান আনার একজন বড় বোন ছিল। জার্মানিতে নাজি বাহিনী ক্ষমতায় আসার পর দেশ হতে ইহুদী ধর্মালম্বীদের বিতাড়িত করে। আনার পরিবারও ১৯৪১ সালে নেদারল্যান্ডস পাড়ি জমান ও তাদের জার্মান জাতীয় পরিচয় বাতিল করা হয। যুদ্ধের ভয়াবহ সেই মুহূর্তে লুকিয়ে থাকতে হয় আনা ও তাঁর পরিবারকে। সেই ভয়াল দিনগুলোর ঘটনা আনা তাঁর ডায়েরিতে টুকে রাখতেন। যেখানে মৃত্যুপরোয়ানা মাথায় রাখা এক কিশোরীর জীবনদর্শনের গভীরতা উপলব্ধি করা যায়। আনা ফ্রাঙ্কের পরিবার নেদারল্যান্ডসর পুরোটা সময় পালিয়ে কিংবা লুকিয়ে থাকে। কিন্তু যুদ্ধের শেষ দিকে ধরা পড়ে নাজি বাহিনীর হাতে। অবশেষে অন্যান্য ইহুদীদের মতো তাদের ঠিকানা হয় কনসানট্রেশন ক্যাম্প।

সম্প্রতি বাংলাদেশের জাতীয় জাদুঘরে নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের আয়োজনে আনা ফ্রাঙ্ক নিয়ে একটি প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সেই ভয়াবহ ঘটনার নানা ছবি সেই প্রদর্শনীতে স্থান পাবে।

ডিপ্রজন্ম ডেস্ক