১৯ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

প্রশ্নের মুখে ব্রিটিশ পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থা


পরিচিত এক উগ্রপন্থীর সঙ্গে যোগাযোগ থাকা সত্ত্বেও তিন ব্রিটিশ স্কুলছাত্রী কিভাবে সিরিয়ার পথে রওনা দিয়েছে সেই প্রশ্ন উঠেছে। এ বিষয়ে ব্রিটিশ পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থাকে তদন্তের সম্মুখীন করার দাবি জানানো হয়েছে ওই তিন ছাত্রীর পরিবারের পক্ষ থেকে। খবর টেলিগ্রাফ ও বিবিসির।

রবিবার এ বিষয়টি প্রকাশ্যে এসেছে যে, আসকা মাহমুদ নামে ২০ বছর বয়সী এক তরুণীর সঙ্গে শামীমা বেগম (১৫) যোগাযোগ করার পরও ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। আসকা তার সঙ্গে সিরিয়া যেতে অন্য মেয়েদের প্ররোচিত করত। কাউকে কিছু না জানিয়ে তিন কিশোরী শামিমা বেগম (১৫), খাদিজা সুলতানা (১৬) ও আমিরা আবাসের (১৫) এভাবে বাড়ি থেকে পালিয়ে যাওয়ার বিষয়টি আগেই আশঙ্কা করেছিল প্রশাসন। কারণ ডিসেম্বরে যে কিশোরী সিরিয়া পালিয়ে গিয়েছিল, এই তিনজনই তার বন্ধু ছিল। পুলিশ দাবি করেছে, অনলাইনে জঙ্গীদের তরফে তাদের জিহাদী ভাবধারায় উদ্বুদ্ধ করাও হচ্ছিল। সে কারণে মাস দুয়েক আগে এই তিন কিশোরীকে আলাদা আলাদাভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করে স্কটল্যান্ডইয়ার্ড। আগাম সতর্কতা সত্ত্বেও কীভাবে এমন ঘটনা ঘটল তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

এছাড়া পালিয়ে সিরিয়া কিংবা ইরাকে ইসলামিক স্টেটে (আইএস) যোগ দেয়া থেকে আটকাতে ব্রিটিশ অভিভাবকদের সন্তানদের নজরে রাখতে, প্রয়োজনে তাদের পাসপোর্টও সরিয়ে রাখার পরামর্শ দিয়েছে প্রশাসন। এদিকে আকসার পরিবারের এক আইনজীবী আমের আনোয়ার বলেছেন, শামীমার পরিবারকে তেমন একটা সতর্ক করেনি যে, এক উগ্রপন্থীর সঙ্গে তার যোগাযোগ রায়েছে।

রয়টার্সের পাক-আফগান ব্যুরো প্রধানের মৃত্যু

রয়টার্সের পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের ব্যুরো প্রধান মারিয়া গ্লোভনিনার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। ইসলামাবাদে তার অফিসের টয়লেটে তাকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। টয়লেটে যাওয়ার পর দীর্ঘসময় তিনি সেখানে অবস্থান করেন। তবে তার মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু হয়েছে। রেডিও পাকিস্তান জানায়, ইসলামাবাদের কেন্দ্রীয় সেক্টর এফ-৮ এ বাড়িতে গ্লোভনিনার মৃতদেহ পাওয়া যায়। তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার করে পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল সায়েন্সেসে (পিআইএমএস) পাঠানো হয়। রাশিয়ার নাগরিক গ্লোভনিনা ২০০৯ সালে রয়টার্সে যোগ দেন। এর আগে তিনি রাশিয়া এবং সিআইএস এলাকা থেকে রিপোর্ট পাঠাতেন। -ডন