২২ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে বিচারিক ক্ষমতা ॥ পাঁচ এ্যামিকাস কিউরি নিয়োগ


স্টাফ রিপোর্টার ॥ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ও ১৪৭ ধারা সংশোধন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে বিচারিক ক্ষমতা দেয়ার বৈধতার বিষয়ে জারি করা রুলের অধিকতর শুনানির জন্য পাঁচজন এ্যামিকাস কিউরি (আদালত বন্ধু) নিয়োগ দিয়েছে হাইকোর্ট। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে বিচারিক ক্ষমতা দেয়াকে কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে ২০০৯ সালে রুল জারি করেছিল হাইকোর্ট। এ রুলের ওপর অধিকতর শুনানির জন্য বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি মোঃ আশরাফুল কামালের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ সোমবার এ্যামিকাস কিউরি নিয়োগ দিয়ে আদেশ দেন।

পাঁচ এ্যামিকাস কিউরি হলেনÑ ড. কামাল হোসেন, ব্যারিস্টার এম আমির উল ইসলাম, মাহমুদুল ইসলাম, ব্যারিস্টার আজমালুল হোসেন কিউসি এবং ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ। এই পাঁচ জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ‘নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের বিচারিক ক্ষমতা দিয়ে ফৌজদারি কার্যবিধি সংশোধন ঠিক রয়েছে কি না সে বিষয়ে তাদের মতামত আদালতে উপস্থাপন করবেন।

উল্লেখ্য, ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ও ১৪৭ ধারা সংশোধন করে গেজেট প্রকাশ করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে বিচারিক ক্ষমতা দেয়ার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২০০৯ সালে রিট করে একটি মানবাধিকার সংগঠন। আদালত রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে রুল জারি করেন। সোমবার রুলের শুনানি শেষে হাইকোর্ট এ্যামিকাস কিউরি নিয়োগ দেয়। আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন এ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ।

গাছ কাটা ও ‘স মিল’র বিষয়ে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ

টাঙ্গাইলের সখিপুরে সংরক্ষিত বনে আইনবহির্ভূতভাবে গাছ কাটা ও ‘স মিল’ স্থাপনের বিষয়ে আগামী ১৪ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে আদেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে সোমবার বিচারপতি রেজাউল হাসান ও বিচারপতি ফরিদ আহমেদের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার এবং সহকারী বন সংরক্ষকের সমন্বয়ে গঠিত একটি কমিটি সরেজমিনে পরিদর্শন করে এ বিষয়ে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে এই ‘স মিল’র মালিকদের তালিকা এবং লাইন্সেসের বিষয়েও প্রতিবেদনে উল্লেখ করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। একটি দৈনিক পত্রিকার সংবাদ যুক্ত করে একটি মানবাধিকার সংগঠন আদালতে এ রিট আবেদনটি দায়ের করেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন এ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ।