১৭ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট ৫ ঘন্টা পূর্বে  
Login   Register        
ADS

বগুড়ায় এবার বিএনপি সমর্থক নার্সারি মালিক নাশকতার শিকার


স্টাফ রিপোর্টার, বগুড়া অফিস ॥ বগুড়ার গোকুল এলাকায় দুর্বত্তরা প্রতিহিংসামূলক শনিবার রাতে তুহিন নার্সারি নামে একটি নার্সারির প্রায় ৫ হাজার ফলদ চারাগাছ কেটে দিয়েছে। এতে ওই নার্সারির ৩ লাখ টাকারও বেশি ক্ষতি হয়েছে। অভিযোগ করা হয়েছে নার্সারি মালিক নাশকতা প্রতিরোধে সোচ্চার হওয়ায় বিএনপি-জামায়াতের সন্ত্রাসী ক্যাডাররা এ ঘৃণ্য ঘটনা ঘটায়। স্থানীয় লোকজন ও ক্ষতিগ্রস্ত নার্সারির মালিক জানিয়েছে, হরতাল অবরোধে গোকুল এলাকায় বিএনপি-জামায়াতের নাশকতাকারী ক্যাডাররা ইতোপূর্বে মহাসড়কে বেশকিছু যানবাহনে পেট্রোল বোমা দিয়ে আগুন দেয়। এতে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের নেতৃত্বে সাধারণ লোকজন নাশকতাকারীদের প্রতিরোধে এগিয়ে আসে। এর পর পুলিশ প্রশাসনের তৎপরতায় গোকুল এলাকায় মহাসড়কে নাশকতা কমে আসে। নাশকতাকারীদের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ যুবলীগ নেতাকর্মীদের সঙ্গে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসায় জামায়াত শিবির বিএনপি ক্যাডাররা ক্ষুব্ধ হয়ে পড়ে। এর জের ধরে গত ১০ ফেব্রুয়ারি রাতে গোকুল ৬নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুর রহিমের বাড়িতে বিএনপি-স্বেচ্ছাসেবক দলের ক্যাডাররা হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাংচুর চালায়। একই রাতে সেখানে আরও একটি বাড়িতে পেট্রোলবোমা হামলা হয়েছিল।এর প্রেক্ষিতে সাধারণ গ্রামবাসী এলাকায় নাশকতা ও সন্ত্রাসী হামলা প্রতিরোধে একটি কমিটি করে রাতে সড়ক ও গ্রাম পাহারা দেয়া শুরু করে। ক্ষতিগ্রস্ত নার্সারি মালিক মোখলেছুর রহমান জানান, নাশকতা প্রতিরোধে সড়ক ও গ্রাম পাহারা দেয়ায় ইতোপূর্বে আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুর রহিমের বাড়িতে হামলাকারীরা তার ওপর ক্ষুব্ধ হয় এবং হামলার হুমকিও আসে। এছাড়া মোখলেছুরের ছেলের গ্যারেজে হামলার হুমকিও দেয়া হয় বলে স্থানীয়রা জানান। শনিবার রাতে গোকুল ছোট ধাওয়াকোলা এলাকায় মোখলেছুরের নার্সারিতে দুর্বৃত্তরা হামলা চালিয়ে আম ও লিচুর প্রায় ৫ হাজার গাছের চারা কেটে ফেলে বিনষ্ট করে। দুর্বৃত্তারা ৩৮ শতক জায়াগার এ নার্সারিতে ধারল অস্ত্র দিয়ে ধংসযজ্ঞ চালায়। নার্সারি মালিক নিজকে বিএনপি সমর্থক দাবি করে জানিয়েছেন, নাশকতার সঙ্গে জড়িত সন্ত্রাসীদের প্রতিরোধে গ্রাম পাহারা দেয়ায় তার নার্সারিতে এ হামলা হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকার লোকজন ক্ষুব্ধ হয়ে পড়েছে। পুলিশ খবর পেয়ে রবিবার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। এ ব্যপারে বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল বাশার জানিয়েছেন, এলাকায় বিরোধের কারণে এঘটনা ঘটেছে। এর সঙ্গে নাশকতা মামলার আসামিরা জড়িত থাকতে পারে। তবে বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। পুলিশ সুপার মোজাম্মেল হক জানিয়েছেন, দোষীদের বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।