২৪ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

অনেক ‘আশার দুয়ার খুলে’ ফিরে গেলেন মমতা


স্টাফ রিপোর্টার ॥ বাংলাদেশে তিন দিনের সফর শেষে ভারতে ফিরে গেলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী। শনিবার রাত পৌনে দশটার দিকে মমতা ব্যানার্জী ও তাঁর সফরসঙ্গীরা এয়ার ইন্ডিয়ার ফ্লাইট-২২৯ যোগে ঢাকা ত্যাগ করেন। শাহজালাল বিমানবন্দরে তাঁকে বিদায় জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম। তিস্তাসহ ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বিদ্যমান অমীমাংসিত বিষয়গুলোর জট খোলার আশ্বাস দিয়ে গেছেন মমতা। ফিরে যাওয়ার সময় কবি জীবনানন্দ দাশের কবিতা উদ্ধৃত করে তিনি বলেছেন, ‘আবার আসিব ফিরে....এই বাংলায়’।

এ সময় শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাঁদের বিদায় জানাতে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম ছাড়াও ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার পঙ্কজ শরন ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশে ৪৮ ঘণ্টার সফরকে ‘ইটস্ আ নিউ বিগিনিং’ উল্লেখ করে মমতা ব্যানার্জী বলেন, এর মধ্য দিয়ে নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা হলো। তিস্তা সমস্যার সমাধান হতে কতটা সময় লাগতে পারে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তিস্তা সমস্যার বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর ওপর ছেড়ে দিন। আমি মনে করি, মাত্র দেড় দিনে অনেক বৈঠক হয়েছে, প্রত্যেকটাই সফল এবং খুবই ভাল হয়েছে। এ সফর দুই দেশের অর্থনীতি, উন্নয়নসহ বিভিন্ন খাতে কাজে আসবে। এভাবে যাতায়াত করলে দুই দেশের মধ্যে নতুন দরজা খুলে যাবে, মনের দরজা খুলে যাবে। সকলকে আমন্ত্রণ জানাই, আপনারা আসুন, যাতায়াত করুন। তিনি বলেন, আমাদের এ সফর অনেক দিন মনে থাকবে। এটি ইতিহাসের পাতায় থাকবে। বিশেষ করে একুশে ফেব্রুয়ারি মাতৃভাষা দিবসে পুরো বাঙালী যেভাবে শ্রদ্ধা নিবেদন করল, কিভাবে তারা দিনটিকে অতিবাহিত করল তা দেখতে পারলাম নিজ চোখে। এটি নিজ চোখে দেখা অনেক বড় ব্যাপার। রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, ব্যবসায়ী, সুশীল সমাজ সবার সঙ্গে দেখা হয়েছে। বঙ্গবন্ধু মিউজিয়াম দেখেছি। বায়ান্নর ভাষা শহীদদের স্মৃতির পাশে দাঁড়ানোর সুযোগ হয়েছে। এখানকার মানুষের আতিথেয়তা তাঁর চিরকাল মনে থাকবে বলেও উল্লেখ করেন মমতা।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার রাতে ২১ সদস্যের প্রতিনিধি দল নিয়ে ঢাকা সফরে আসেন মমতা ব্যানার্জী।

বিমানে ওঠার আগে বিমানবন্দরে এক চা চক্রে অংশ নেন মমতা। পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলীর চা চক্রে তাঁকে স্বাগত জানানোর কথা ছিল। কিন্তু ওয়াশিংটন থেকে ফিরতে দেরি হওয়ায় মমতাকে চা চক্রে স্বাগত জানান অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং পদস্থ সরকারী কর্মকর্তারা চা চক্রে অংশ দেন।

সর্বাধিক পঠিত:
পাতা থেকে: