২১ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট ৮ ঘন্টা পূর্বে  
Login   Register        
ADS

আমতলী-তালতলীর যোগাযোগ ব্যবস্থা বদলে যাচ্ছে


সংবাদদাতা, আমতলী, ১৮ ফেব্রুয়ারি ॥ দৃশ্যপট বদলে যাচ্ছে অবহেলিত উপেক্ষিত সমুদ্র উপকূলীয় বরগুনার আমতলী ও তালতলী উপজেলার যোগাযোগ ব্যবস্থায়। বছরের পর বছর তালতলীর দু’লক্ষাধিক মানুষকে যাতায়াতে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। আমতলী-তালতলী ও পর্যটক স্পট সোনাকাটা পর্যন্ত ৩০ কিলোমিটার উন্নত সড়ক নির্মাণকাজ দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। ২০১২ সালে বরগুনার আমতলী উপজেলাকে বিভক্ত করে তালতলী উপজেলা করা হয়। আমতলী পৌরসভা, আমতলী সদর এবং আড়পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়ন ও তালতলী উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের ওপর দিয়ে ৪২ কিলোমিটার সড়ক। এ সড়কের নির্মাণকাজ বাস্তবায়নের দাবি যুগের পর যুগ পেরিয়ে গেলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি। শুধুমাত্র আমতলী সদর থেকে কচুপাত্রা ব্রিজ পর্যন্ত ১২ কিলোমিটার সড়কের কাজ শেষ হয়। এরপর বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নকাজের তালিকায় সড়কটি অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

তালতলী স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অফিস সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার তালিকায় থাকা উপজেলার এ সড়ক ৩০ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য ও ১৮ ফুট প্রস্থ। ওই সড়কের সঙ্গে ছোট ভাইজোড়ায় ৬৬ ও কচুপাত্রায় ৩৩ মিটার দৈর্ঘ্য দুটি আরসিসি গার্ডার ব্রিজ রয়েছে। এ সড়ক ও ব্রিজের টেন্ডার আহ্বান করে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ। এর ব্যয় ধরা হয় ৩৫ কোটি ৯৫ লাখ টাকা। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মহিউদ্দিন আহম্মেদ, এমডি বাদল খান, এমডি শহীদুল ইসলাম, মাএ্যান্ডএমআর জেভি, এমডি মাহফুজ খান এ কাজ পায়। এ সড়ক ও ব্রিজের নির্মাণকাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। ইতোমধ্যে সড়কের চলমান কাজের ৭০ ভাগ সম্পন্ন হয়েছে। বাকি কাজ আগামী ৩০ জুনের মধ্যে শেষ হবে। কচুপাত্রার দীপু নন্দী জানান এ সড়কের নির্মাণকাজ শেষ হলে তালতলীর সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন হবে।

তালতলী হাসপাতালের সহকারী চিকিৎসক মংফ্রু মাতুব্বর জানান, রাস্তার কাজ শেষ হলে মুমূর্ষু রোগীদের উন্নত চিকিৎসার জন্য পটুয়াখালী, বরিশাল ও ঢাকায় পাঠাতে কোন সমস্যা হবে না।

ফকিরহাটের মৎস্য ব্যবসায়ী কালাম মীর জানান, বহু বছর ধরে সড়কের বেহাল অবস্থা থাকার কারণে মাছ দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠাতে পারিনি। লোকসান গুনেছি মোটা অঙ্কের টাকা। এখন রাস্তার কাজ শেষ হলে আমাদের আর লোকসান গুনতে হবে না।