২১ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

সহিংসতা বন্ধ করুন, গার্মেন্টস শিল্প বাঁচান


স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম অফিস ॥ চট্টগ্রামের গার্মেন্টস শিল্প মালিকরা আশঙ্কা করেছেন চলমান সহিংসতা বন্ধ না হলে দেশের পোশাক শিল্প বড় ধরনের সঙ্কটের সম্মুখীন হবে। বড় ধরনের ধাক্কা খাবে দেশের অর্থনীতি। ইতোমধ্যে স্থবির হয়ে পড়েছে রফতানির আয়ের লক্ষ্যমাত্রা। বাতিল হয়ে যাচ্ছে বহু অর্ডার। মুখথুবড়ে পড়ার উপক্রম চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানের গার্মেন্টস শিল্প। এ অবস্থা চলতে থাকলে আগামীতে শ্রমিক কর্মচারীদের বেতন বোনাস বন্ধ হয়ে যেতে পারে। সৃষ্টি হতে পারে শ্রমিক অসন্তোষ। বাংলাদেশ থেকে গার্মেন্টস পণ্যের অর্ডার ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া এবং ভারতে চলে গেলে এদেশের গার্মেন্ট কারখানাগুলো পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাবে। শনিবার চট্টগ্রামে বিজিএমইএ’র সামনে আয়োজিত প্রতীকী অনশন কর্মসূচীতে গার্মেন্টস মালিক এবং বিজিএমইএ নেতারা এ আশঙ্কার কথা উল্লেখ করেছেন।

গার্মেন্টস মালিকরা উদ্বেগ প্রকাশ করে অনশন কর্মসূচী চলাকালে জানান, রাজনৈতিক আন্দোলনের নামে চলছে সহিংসতা। এ ধরনের কর্মসূচী কোনভাবেই দেশের অর্থনীতির জন্য মঙ্গলজনক নয়। চলমান সহিংসতা পোশাক শিল্পকে ক্রমান্বয়ে ধ্বংস করে দেবে। এতে ২০২১ সালের মধ্যে ৫০ বিলিয়ন ডলার রফতানি লক্ষ্যমাত্রা পুরোপুরি ভেস্তে যাবে। ব্যাংকের কাছে ঋণগ্রস্ত হয়ে বন্ধ হয়ে যাবে গার্মেন্টস শিল্প। তাই চলমান রাজনৈতিক অচলাবস্থা নিরসনে সকল পক্ষকে সহনশীল আচরণের জন্য বিজিএমইএ নেতারা আহ্বান জানান। বাংলাদেশের অর্থনীতির চালিকা শক্তি পোশাক শিল্পকে রক্ষার দাবিতে বিজিএমইএ খুলশীর ভবনের সামনে শনিবার প্রতীকী অনশন কর্মসূচী পালন করে। প্রয়োজনে তারা আরও কঠোর কর্মসূচী পালনেও বাধ্য হবে বলে রাজনৈতিক দলগুলোকে হুমকি দিয়েছে।

বেলা এগারটা থেকে ৩টা পর্যন্ত প্রতীকী অনশন কর্মসূচীতে আরও অংশ নেন বিজিএমইএ চট্টগ্রাম অঞ্চলের পরিচালক মোঃ আবদুল ওয়াহাব, মোঃ শেখ সাদী, সাব্বির মোস্তফা, এমডি এম মহিউদ্দিন চৌধুরী, প্রাক্তন প্রথম সহ-সভাপতি এমএ সালাম, নাসির উদ্দিন চৌধুরী, প্রাক্তন পরিচালক, একেএম সালেউদ্দিন, আনম সাইফুদ্দিন, মোহাম্মদ মূসা, এএম ফেরদৌস চৌধুরী, আশিক ভূইয়া, ইমদাদুল হক চৌধুরী, কাজী মাহাবুবউদ্দিন জুয়েল। এছাড়াও পোশাক শিল্পের সঙ্গে সম্পৃক্ত মালিক ও শ্রমিক নেতৃবৃন্দ এতে উপস্থিত ছিলেন।