১৮ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট পূর্বের ঘন্টায়  
Login   Register        
ADS

সরকার পতন হলো না, জয়নুলের আনলাকি ১৩!


স্টাফ রিপোর্টার ॥ সরকার পতনের সর্বশেষ ডেডলাইন ছিল ১৩ ফেব্রুয়ারি! হাস্যকর এই সময়সীমার ঘোষণা দিয়েছিলেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও সুপ্রীমকোর্ট আইনজীবী সমিতির প্রাক্তন সভাপতি এ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন। হয়ত বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের মনের কথাই প্রকাশ করেছিলেন তিনি। কিন্তু বিধি বাম। সরকারের পতন হয়নি। বরং ঋতুরাজ বসন্ত বরণ উপলক্ষে জাতীয়ভাবে উৎসব ও আনন্দ-উচ্ছ্বাসের মধ্য দিয়ে কেটেছে আল্টিমেটামের দিন। এ দিনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফোন করেছেন বিশ্বের অন্যতম গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ভারতের সরকারপ্রধান নরেন্দ্র মোদি। সব মিলিয়ে হাস্যরসে পরিণত হয়েছে বিএনপির এই আইনজীবীর বাক্যবাণ।

পতনের দাবিতে পাঁচ জানুয়ারি থেকে আন্দোলন শুরু করে ২০ দলীয় জোট। এর মধ্যে এক ফেব্রুয়ারি থেকে আগামী ১৩ ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের পতনের ঘোষণা দেন এ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন। সুপ্রীমকোর্ট আইনজীবী সমিতি ভবনের সামনে হরতালের সমর্থনে মিছিল শেষে সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন। জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সুপ্রীমকোর্ট শাখা এ সমাবেশের আয়োজন করেছিল।

জয়নুল আবেদীন বলেন, দেশের মানুষকে রক্ষার স্বার্থে যে আন্দোলন চলছে চলমান আন্দোলনেই জনগণের দাবির মুখে ১৩ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই এই অবৈধ সরকারের পতন হবে। তিনি জাতীয়তাবাদী শক্তিকেই স্বাধীনতার সপক্ষের শক্তি বলে দাবি করেন। সারাদেশে উৎসব-আমেজে কেটেছে সরকারের সর্বশেষ পতনের দিন। অবরোধের মধ্যেও ঢাকার রাস্তায় নামে মানুষের ঢল। বসন্ত উৎসব উদযাপনে মাতোয়ারা ছিল গোটা জাতি। সেই সঙ্গে প্রাণের বইমেলায় ছিল উপচেপড়া মানুষে ভিড়। সরকার পতনের জন্য মাঠে দেখা যায়নি বিএনপির কোন নেতাকর্মীকেও। যিনি আল্টিমেটাম দিয়েছিলেন তিনিও মাঠে ছিলেন না। হয়ত বাসায় বসে নিজেও আফসোস করছেন। ভাবছেন, মানুষ হয়ত ধিক্কার জানাচ্ছে।

এদিকে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সরকারের পতন হবে বলে দাবি করছেন কাতার সফররত সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ও বিএনপি নেতা আ.ন.ম এহসানুল হক মিলন। ধানসিঁড়ি বিএনপি কাতার শাখা আয়োজিত জিয়াউর রহমানের ৭৯তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনাসভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এমন দাবি করেন।

সম্পর্কিত:
পাতা থেকে: