২১ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

অবরোধের ক্ষতি পোষাতে ৫০ শতাংশ কর মওকুফ চায় ঢাকা চেম্বার


অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ চলমান হরতাল-অবরোধে ব্যবসায়িক ক্ষতি পুষিয়ে নিতে ৫০ শতাংশ কর মওকুফ চেয়েছে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স এ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)। একই সঙ্গে ২০১৫-১৬ অর্থবছরের বাজেটে অন্তর্ভুক্তির জন্য ২৮টি প্রস্তাবনা দিয়েছে সংগঠনটি।

বৃহস্পতিবার বিকেলে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান নজিবুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে ডিসিসিআই নেতারা এসব প্রস্তাব দেন। সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সাক্ষাতকালে নবনির্বাচিত ডিসিসিআই নেতৃবৃন্দ নজিবুর রহমানকে স্মারক দেন। লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের সভাপতি হোসেন খালেদ।

লিখিত ব্যক্তব্যে হোসেন খালেদ বলেন, চলমান রাজনৈতিক অচলাবস্থার কারণে ব্যবসায়ীরা ব্যবসা করতে পারেনি। এতে ব্যাংক ঋণ পরিশোধ করাই কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ অবস্থায় ভ্যাট প্রদানকারী ব্যবসায়ী ও আমদানিকারকদের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে সব ধরনের বন্দর ফি ও জরিমানা ন্যূনতম ৫০ শতাংশ মওকুফের আহ্বান জানান তিনি।

ডিসিসিআইয়ের সমীক্ষার উদ্ধৃতি দিয়ে হোসেন খালেদ বলেন, রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে ব্যবসায়ীদের প্রতিদিন আনুমানিক ২ হাজার কোটির টাকা ক্ষতি হচ্ছে। সে হিসেবে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা আনুমানিক অর্ধেক নির্ধারণ করা হলেও গত ৩৬ দিনে এর বিপরীতে ৭ হাজার ৩৮৩ কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের ঘাটতি হয়েছে। এ ঘাটতি পূরণে যাতে ব্যবসায়ীদের ওপর নতুন করে করারোপ না করার অনুরোধ করেন তিনি।

আগামী ২০১৫-১৬ অর্থবছরের বাজেটে অন্তর্ভুক্তির জন্য ২৮টি প্রস্তাবনা দিয়েছে ডিসিসিআই। এর মধ্যে রয়েছে- করমুক্ত আয়ের সীমা ২ লাখ ২০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ২ লাখ ৭৫ হাজার টাকা করা, উপজেলা পর্যায়ে আয়কর মেলার আয়োজন, করের আওতা বাড়াতে ট্যাক্স কার্ডের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো, ব্যবসায়ী সংগঠনের আয়কে আয়কর মুক্ত রাখা, যেসব চূড়ান্ত পণ্য দেশে উৎপাদন হচ্ছে; তা আমদানির ওপর কর বৃদ্ধি করা, শিক্ষা খাতকে ভ্যাটের আওতামুক্ত রাখা ও ইন্টারনেট ব্যবহারের ওপর ভ্যাট প্রত্যাহার করা।

সমাপনী বক্তব্যে এনবিআর চেয়ারম্যান নজিবুর রহমান বলেন, ডিসিসিআইয়ের প্রস্তাবনা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ব্যবস্থা নেয়া হবে। ব্যবসাবান্ধব ও শিল্পবান্ধব পরিবেশ তৈরি করতে যা যা করা প্রয়োজন সবই করা হবে। তিনি বলেন, করের আওতা বাড়াতে অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে।