২৪ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

জলবায়ু পরিবর্তন যুদ্ধ ডেকে আনবে!


বিশ্বের উষ্ণায়ন যুদ্ধ ও অসন্তোষের এক সম্ভাব্য উৎস বলে প্রতীয়মান হচ্ছে। বিজ্ঞানী ও নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা বছরের পর বছর ধরে এ সতর্কবাণী উচ্চারণ করে এসেছেন। খবর এএফপির।

তাঁরা বলছেন, ঝড়, খরা, বন্যা, চরম তাপ ও অস্বাভাবিক শৈত্য : এসব কিছুই ধনসম্পদ ধ্বংস করতে, শস্যহানি ঘটাতে, লোকজনকে ভূমিচ্যুত করতে, পুরনো বৈরিতার অবনতি ঘটাতে এবং সম্পদের জন্য লড়াই উস্কে দিতে পারে। কার্বন নিঃসরণ বিশ্বের জলবায়ু পরিস্থিতির ক্ষতি সাধন করার প্রেক্ষাপটে ঐসব কারণ আরও তীব্র রূপ নেবে বলে ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়।

তারপরও কেউ কেউ যুক্তি দেখান যে, প্রমাণ রয়েছে, মনুষ্য সৃষ্টি উষ্ণতা কোন কোন সংঘাতের মূল কারণ হিসেবে ভূমিকা রাখছে এর মধ্যেই। বেশিকিছু সংখ্যক আফ্রিকান দেশে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্রমবর্ধমান প্রভাবের কারণে সংঘর্ষের প্রচ-তা বৃদ্ধি পায় এবং খুবই বিস্ময়কর দিক এটা। দক্ষিণ আফ্রিকার ইনস্টিটিউট ফর সিকিউরিটি স্টাডিজ (আইএসএস), ২০১২-এ সতর্কবাণী উচ্চারণ করে এ তথ্য জানায়। সাহেল অঞ্চলে কৃষিযোগ্য জমি হ্রাস পাওয়ায় পশুপালক ও কৃষকদের মধ্যে সংঘাতের সৃষ্টি হয়েছে। এ ধরনের জলবায়ুসম্পৃক্ত প্রভাবের কারণে এর মধ্যে তীব্র সহিংসতারও উদ্ভব হচ্ছে নাইজরিয়ার উত্তরাঞ্চল, সুদান ও কেনিয়ায়। এ প্রভাব তীব্র হয়ে ওঠে ২০০৭-এ। জাতিসংঘ প্রধান বান কি মুন তখন বলেন, সুদানের দারফুর অঞ্চলে ঐ সহিংসতার কারণ দুই দশকব্যাপী অনাবৃষ্টি। আরবের যাযাবররা তৃণভূমি ও পানির জন্য কৃষকদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় লিপ্ত হয়। জাতিসংঘের ইন্টারগবর্নমেন্টাল প্যানেল অন ক্লাইমেট চেঞ্জ (আইপিসিসি) এক রিপোর্টে সতর্কবাণী উচ্চারণ করে বলেছে, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে মানুষের নিরাপত্তা অব্যাহতভাবে হুমকির সম্মুখীন হবে।