২০ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট ৫ ঘন্টা পূর্বে  
Login   Register        
ADS

ইউক্রেনে লড়াই বন্ধে কাজ করে যেতে মতৈক্য


ইউক্রেনে লড়াই অবসানের লক্ষ্যে রাশিয়া, ফ্রান্স ও জার্মানির নেতৃবৃন্দের মধ্যে ‘গঠনমূলক ও অর্থপূর্ণ’ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কূটনীতিকরা এ কথা বলেন। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিন, ফ্রান্সের ফ্রাঁসোয়া ওলাঁদ ও জার্মান চ্যান্সেলর এ্যাঞ্জেলা মেরকেল শুক্রবার রাতে ৪ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে বৈঠকে মিলিত হন। ওলাঁদ ও মেরকেল তাঁদের সঙ্গে একটি শান্তি প্রস্তাব নিয়ে এসেছিলেন। যার বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়নি। রুশপন্থী বিচ্ছিন্নতাবাদীদের অস্ত্র প্রদানের জন্য রাশিয়াকে দোষারোপ করা হয়। তবে সে অভিযোগ রাশিয়া অস্বীকার করেছে। খবর বিবিসির।

তবে, গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়, শীর্ষ বৈঠক একটি খসড়া যুদ্ধবিরতির ওপর কাজ করে যাওয়ার মতৈক্য ছাড়া কোন সুনির্দিষ্ট ফল বয়ে আনেনি। জার্মান সরকারের একজন মুখপাত্র বলেন, সেখানে অন্তত সেপ্টেম্বরে মিনস্কে যুদ্ধবিরতির শর্ত প্রশ্নে মতৈক্যের ভিত্তিতে একটি যৌথ অস্ত্রবিরতি দলিলের ওপর কাজ করার ব্যাপারে ঐকমত্য হয়েছে। বেলারুশের রাজধানী মিনস্কে স্বাক্ষরিত সেপ্টেম্বরের যুদ্ধবিরতি সহিংসতা বন্ধে ব্যর্থ হয়। তারপর থেকে বিদ্রোহীরা আরও ভূখ- দখল করলে কিয়েভে ও ইউক্রেনের সমর্থকদের মধ্যে ভীতির সঞ্চার হয়। ক্রেমলিনে ওই সাড়া জাগানো বৈঠকের পর রুশ, জার্মান ও ফরাসী নেতৃবৃন্দের কোন যৌথ সাংবাদিক সম্মেলন হয়নি কিংবা কোন বিবৃতি প্রকাশ করা হয়নি। চ্যান্সেলর মেরকেল ও প্রেসিডেন্ট ওলাঁদ সরাসরি বিমানবন্দরে চলে যান। বৈঠকে কোন সাফল্য না এলেও তা ভেঙ্গেও পড়েনি।

তিন দেশেরই কর্মকর্তাদের মতামত সুষ্ঠুভাবে সমন্বয় করা হয়েছে। মস্কো, প্যারিস ও বার্লিনে সকল কর্মকর্তাই আলোচনাকে অর্থপূর্ণ ও গঠনমূলক বলে বর্ণনা করেছেন। তাঁরা সকলেই উল্লেখ করেছেন যে, তিন নেতা ও সেইসঙ্গে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট রবিবার আবার ফোনে কথাবার্তা বলবেন। সবাই বলেছেন, ফরাসী ও জার্মান উদ্যোগের ভিত্তিতে ও সেইসঙ্গে প্রেসিডেন্ট পোরোশেংকো ও প্রেসিডেন্ট পুতিনের প্রস্তাবের ভিত্তিতে একটি চুক্তির সম্ভাব্য খসড়ার ব্যাপারে আলোচনা অব্যাহত থাকবে।

বৈঠকে কূটনীতিকরা সামান্য খুঁটিনাটি বিষয় প্রকাশ করাকে ইতিবাচক বলে বর্ণনা করেছেন। এটি বাগাড়ম্বর ছাড়া এবং লোকচক্ষুর বাইরে ও গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা চালানোর চেষ্টার আভাস দেয়। তবে এর অন্য অর্থ হলো আমরা আসলেই জানি না আলোচনার টেবিলে কি আছে, বিভিন্ন পথের মধ্যে কতটুকু মতপার্থক্য আছে এবং ইউক্রেনে শান্তি প্রতিষ্ঠার এই সর্বোচ্চ মিশন কতখানি ভরপুর। শুক্রবার ওলাঁদ ও মেরকেল মস্কোতে যে শান্তি প্রস্তাব নিয়ে যান তা আগের দিন ইউক্রেন সরকারের সঙ্গে বসে তৈরি করা হয়।