২০ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

আল কায়েদার মদদদাতা সৌদি প্রিন্সরা!


নব্বইয়ের দশকের শেষ দিকে সৌদি আরবের প্রিন্সরা সন্ত্রাসবাদী নেটওয়ার্কে প্রধান অর্থদাতা ছিলেন। যুক্তরাষ্ট্রের কড়া নিরাপত্তার ফেডারেল কারাগারে অত্যন্ত বিরল এক সাক্ষ্যে আল কায়েদার একজন সাবেক সক্রিয় সদস্য এ কথা বলেছেন। তিনি দাবি করেন, তিনি ওয়াশিংটনে সৌদি দূতাবাসের একজন কর্মচারীর সঙ্গে স্টিঙ্গার মিসাইল ছুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের এয়ার ফোর্স ওয়ান বিমান ভূপাতিত করার পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন। খবর নিউইয়র্ক টাইমসের।

আল কায়েদার সদস্য জাকারিয়া মুসাভি গত বছর সাদার্ন ডিস্ট্রিক্ট অব নিউইয়র্কের বিচারক জর্জ-বি, ড্যানিয়েল্সকে চিঠি লেখেন, তিনি ২০০১ এর ১১ সেপ্টেম্বর সন্ত্রাসী হামলায় নিহতদের আত্মীস্বজনের সৌদি আরবের বিরুদ্ধে করা এক মামলায় সাক্ষ্য দিতে চান। ড্যানিলেস মামলাটিতে প্রধান বিচারক ছিলেন। বিচার বিভাগের কর্মকর্তাবৃন্দ ফেডারেল কারাগার ব্যুরোর সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনাশেষে একদল আইনজীবীকে গত অক্টোবর মাসে দু’দিনের জন্য কারাগারের ভেতর প্রবেশ করে মুসাভিকে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেয়া হয়। এদিকে সোমবার রাতে সৌদি দূতাবাস এক বিবৃতিতে বলেছে, ১১ সেপ্টেম্বরের হামলা সংক্রান্ত জাতীয় কমিশন সৌদি সরকার কিংবা সৌদি কর্মকর্তারা আল কায়েদাকে অর্থ প্রদানের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে। বিবৃতিতে বলা হয় : ‘মুসাভি একজন অপ্রকৃতিস্থ অপরাধী, যার আইনজীবীরা তিনি মানসিকভাবে অসমর্থ বলে সাক্ষ্যপ্রমাণ উপস্থাপন করেছেন। তার কথার কোন বিশ্বাযোগ্যতা নেই।’ মুসাভির পথে সাক্ষ্যদানকারী একজন মনস্তত্ত্ববিদ তাকে মানসিক রোগনির্ণয়পত্র দিলেও, তিনি সন্ত্রাসবাদের অভিযোগে বিচারে দাঁড়ানোর মতো সক্ষম বলে দেখতে পাওয়া যায়। ২০০৬ এ তাকে যাবজীবন কারাদ-ে দ-িত করা হয়। তাকে কলোরাডোর ফ্লোরেন্সে সর্বাধিক নিরাপত্তার কারাগারে আটক রাখা হয়েছে। মুসাভির বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা যায়নি।

সৌদি আরবের দীর্ঘকালীন বাদশাহ আবদুল্লাহ্র মৃত্যু এবং তাঁর ভাই সালমানের বাদশাহ হিসেবে ক্ষমতা গ্রহণের দু’সপ্তাহেরও কম সময়ে সৌদি-মার্কিন সম্পর্কের এক নাজুক মুহূর্তে মুসাভির কাছ থেকে এই অভিযোগ এলো।