২৪ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট পূর্বের ঘন্টায়  
Login   Register        
ADS

বলিরেখার ভয়ে গোমরামুখে ৪০ বছর


গোল টেবিল বৈঠকে মহিলাদের আড্ডা জমে উঠেছে। পরনিন্দা পরচর্চায় হাসিতে লুটিয়ে পড়ছেন মহিলা। সেই একই টেবিলের এক কোণায় বসে বছর পঞ্চাশের টেস ক্রিশ্চিয়ান। বান্ধবীদের উন্মাদের মতো হাসতে দেখেও টেসের ঠোঁটের কোণায় এক ফোঁটাও হাসি নেই। ভাবছেন ওর হয়ত মন খারাপ। না, একেবারেই তা নয়। নিজেকে এমন ভাবেই তৈরি করেছেন টেস। টেসের মতে হাসলেই তার মুখে বলিরেখা পড়তে পারে। একমাত্র সে কারণেই বিগত ৪০ বছর ধরে হাসেননি টেস।

টেস জানান, ১০ বছর বয়স থকেই তিনি তার মুখের পেশী নাড়ান না। তিনি মনে করেন এই কারণেই ৫০ বছয় বয়স পেরিয়েও তার মুখে একটাও বলিরেখা নেই। তিনি বলেন, ‘অনেকেই আমার জিজ্ঞেস করে আমি বোটক্স করিয়েছি কিনা। কিন্তু আমি মনে করি মুখে পেশী না নাড়ানো বোটক্সের থেকেও অনেক বেশি কার্যকরী। ১০ বছর বয়স থেকেই আমি নিজের ভাবাবেগ নিয়ন্ত্রণে রেখেছি ?’ টেস জানান, তিনি তার যৌবন ধরে রাখতে চান। মানুষ নিজের রূপ নিয়ে সচেতন। কিন্তু টেসের মতো এই প্রাকৃতিক উপায় কতজন জানেন বা তার প্রয়োগ করেন? গোমরামুখে থাকার রীতিমতো ট্রেনিং নিয়েছেন টেস। তিনি নিজের রূপ নিয়ে যথেষ্ট গর্বিত। তিনি জানান, প্রাকৃতিক উপায়েই তিনি নিজের মুখে বলিরেখা পড়তে দেননি। তিনি দাবি করে জানিয়েছেন, নিজের একাগ্রতার ফল তিনি হাতেনাতেই পেয়েছেন। তবে টেসের মতো অপর একজনও রয়েছেন। তিনি কিম কার্দেশিয়ান। বলিরেখা ঢাকতে কিমও পারতপক্ষে হাসি এড়িয়েই চলেন। সূত্র : ওয়েবসাইট