১৮ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

অর্থাভাবে হুমকির মুখে বিবিসি ওয়ার্ল্ড সার্ভিস


বিবিসি (ব্রিটিশ ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশন) সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, ইসলামী রাজনৈতিক মতবাদ, ইভানজেলিকাল খ্রীস্টান মতবাদ, জাতীয়তাবাদ ও স্বদেশিকতাভিত্তিক সংবাদ প্রচারকারী প্রতিদ্বন্দ্বী সম্প্রচার কেন্দ্রগুলোকে মোকাবেলা করতে এর ওয়ার্ল্ড সার্ভিসের জন্য অতিরিক্ত অর্থের প্রয়োজন।

কর্পোরেশন সতর্ক করে বলেছে, আল জাজিরা এবং রাশিয়া ও চীনের রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে পরিচালিত সম্প্রচার কেন্দ্রগুলো প্রভাবশালী আন্তর্জাতিক সংবাদ সরবরাহকারী হওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছে। সরকার অর্থায়ন বৃদ্ধির উদ্যোগ না নিলে ওয়ার্ল্ড সার্ভিস আরও ক্ষমতাহীন হয়ে পড়বে। গত বছর এপ্রিলের আগ পর্যন্ত এ সার্ভিসের অর্থ যুগিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এখন এর অর্থায়ন হচ্ছে লাইসেন্স ফি, স্পন্সরশিপ ও বিজ্ঞাপনের আয় থেকে। কর্পোরেশন জানায়, যুক্তরাজ্য বিবিসিকে মানসম্পন্ন ও মর্যাদাশীল রাখতে চাইলে ওয়ার্ল্ড সার্ভিসের মান বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতি থাকতে হবে এবং সরকারকেও তা স্বীকার করে নিতে হবে। বিবিসির নিজেকে জিজ্ঞাসা করার প্রয়োজন রয়েছে যে, বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতা করার এবং ডিজিটাল ব্যবস্থায় বিনিয়োগ করার মতো তার শক্তি ও সম্পদ রয়েছে কিনা। কর্পোরেশনকে বিবেচনা করতে হবে লাইসেন্স ফি ও বিজ্ঞাপনের অর্থ থেকে আসা আয় বিশ্বের রিপোর্টারের জন্য ব্যয় মেটানোর জন্য পর্যাপ্ত কিনা। চীন, রাশিয়া ও কাতার তাদের আন্তর্জাতিক চ্যানেলে যে রকম বিনিয়োগ করেছে তার সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে পারছি না আমরা। রিপোর্টে সতর্ক করে দেয়া হয় যে, বিশ্ব সংবাদ এখন ধর্ম ও জাতীয়তাবাদকে ঘিরে বিভক্ত হয়ে পড়ছে। সংবাদে বৈশ্বিক দিক পাল্টাচ্ছে ক্রমেই। আজকে ইসলামী রাজনৈতিক মতবাদ, ইভানজেলিকাল খ্রীস্টান মতবাদ, দেশপ্রেমমূলক জাতীয়তাবাদ ইত্যাদি মতবাদের দিকে ঝুঁকেছে। সংবাদের বিষয়বস্তু, অথচ এগুলো পরস্পর পৃথক বিষয়। অ

াল জাজিরার লক্ষ্য আরবী ভাষীর রক্ষণশীল ও মুসলমান শ্বেতাঙ্গ দর্শক। আধুনিক বা বিশ্বজনীন অধিকার, রাজনৈতিক, মানবিক ও নারী অধিকার অথবা গণতন্ত্র প্রশ্নে বিশ্ব আজ ব্যাপকভাবে বিভক্ত হয়ে পড়ছে। রিপোর্টটিতে পরিসংখ্যানে দেখানো হয় ৫৫ শতাংশ চীনা এবং ৩১ শতাংশ রুশ স্বীকার করেছে যে, সমকামী পুরুষ ও নারী তাদের ইচ্ছেমতো জীবনযাপন করতে দেয়া উচিত। Ñটেলিগ্রাফ অনলাইন