১৯ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট ৭ ঘন্টা পূর্বে  
Login   Register        
ADS

৬ মাসের মধ্যে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলা নিষ্পন্ন হবে ॥ আইনমন্ত্রী


সংসদ রিপোর্টার ॥ আগামী ৬ মাসের মধ্যে চাঞ্চল্যকর ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার নিষ্পন্ন হবে। এ জন্য প্রয়োজনীয় কাজ শুরু হয়ে গেছে। বুধবার আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ আশ্বাস দেন আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার আনিসুল হক। বৈঠকে পুলিশের পাশাপাশি মানবাধিকার কমিশনও মামলা তদন্তে ক্ষমতা চেয়েছে। সংসদীয় কমিটির কাছে এ ক্ষমতা চেয়েছেন মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মিজানুর রহমান। কিন্তু কমিটি তাতে রাজি হয়নি।

এ প্রসঙ্গে কমিটির সভাপতি সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেন, বিভিন্ন মামলায় পুলিশের পাশাপাশি কমিশনও তদন্তের ক্ষমতা চেয়েছে। শুধু রিপোর্ট দেয়া নয়, বিভিন্ন মামলার তদন্তের ক্ষমতা চায় তারা। কমিটি তাতে রাজি হয়নি। আমরা বলেছি, আইন অনুযায়ী পুলিশ তদন্ত করবে। যদি কোন মামলায় মানবাধিকার

বিচ্যুতির ঘটনা ঘটে, তবে সে বিষয়ে কমিশন তাদের রিপোর্ট দেবে। তিনি আরও বলেন, মানবাধিকার কমিশন তাদের অর্থনৈতিক স্বাধীনতার কথা কমিটির কাছে তুলে ধরেছে। কমিটি নির্বাচন কমিশনসহ অন্যান্য সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের মতো তাদের অর্থনেতিক স্বাধীনতা দেয়ার সুপারিশ করেছে। এক্ষেত্রে থোক বরাদ্দ বা আলাদা বাজেটও করা যায়।

তিনি জানান, মানবাধিকার কমিশন সংসদীয় স্থায়ী কমিটির কাছে বলেছে, তাদের মাত্র ২৮ জনবল রয়েছে। আমরা কমিটির পক্ষ থেকে আরও ২০ জন দিতে বলেছি। একই সঙ্গে অন্যান্য কমিশনসহ মানবাধিকার কমিশনের জন্য স্থায়ী ঠিকানার সুপারিশ করেছি। একটি হাইরাইজ বিল্ডিং (বহুতল ভবন) করে সেটাকে ‘কমিশন বিল্ডিং’ করার সুপারিশ করা হয়েছে। এছাড়া প্রত্যেক জেলায় মানবাধিকার কমিশনের কার্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবিও সংসদীয় কমিটির বৈঠকে তুলে ধরা হয়। কমিটি আপাতত বিভাগীয় পর্যায়ে প্রয়োজনীয় লোকবলসহ মানবাধিকার কমিশনের কার্যালয় প্রতিষ্ঠার সুপারিশ করে।

সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত আরও জানান, চাঞ্চল্যকর ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায় আগামী ৬ মাসের মধ্যে নিষ্পন্ন করার আশ্বাস দিয়েছেন আইনমন্ত্রী। এ জন্য প্রয়োজনীয় কাজ শুরু হয়ে গেছে। সংসদ ভবনের মিডিয়া সেন্টারে প্রেস ব্রিফিংকালে আরও উপস্থিত ছিলেন কমিটির সদস্য সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এ্যাডভোকেট শামসুল হক টুকু, জাতীয় পার্টির জিয়াউল হক মৃধা, সফুরা বেগম প্রমুখ।

উল্লেখ্য, ২০০৪ সালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এ্যাভিনিউতে আওয়ামী লীগের সমাবেশে শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ভয়াল গ্রেনেড হামলা চালানো হয়। ওই হামলায় ২২ জন নিহত ও আওয়ামী লীগের কয়েক শ’ নেতাকর্মী আহত হন। এই ভয়াল হামলা মামলার আসামি রয়েছেন বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ তৎকালীন ক্ষমতাসীন বিএনপি-জামায়াতের বেশ ক’জন নেতাও।

সম্পর্কিত:
পাতা থেকে: