২০ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট ৫ ঘন্টা পূর্বে  
Login   Register        
ADS

রগ কাটার নতুন ভার্সন পেট্রোলবোমা


রাবি সংবাদদাতা ॥ ২০ দলীয় জোটের ডাকা হরতাল-অবরোধের নামে পেট্রোলবোমা ছুড়ে মানুষ হত্যার প্রতিবাদে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মূল্যবোধে বিশ্বাসী প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ। এদিকে অবিলম্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল বিভাগে ক্লাস পরীক্ষা চালুর দাবিতে মানববন্ধন করেছে ছাত্রলীগ। একই দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে রাবি ছাত্র ফেডারেশন। মঙ্গলবার ক্যাম্পাসের প্যারিস রোড ও কেন্দ্রীয় কাফেটারিয়ায় এসব কর্মসূচী পালন করা হয়। বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনের সামনে প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের মানববন্ধনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা সাদেকুল আরেফিন বলেন, আগে স্বাধীনতাবিরোধীরা দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হাত-পায়ের রগ কর্তনের মাধ্যমে ত্রাস সৃষ্টি করত।

বিশ্ববিদ্যলয়ের ভূ-তত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক গোলাম সাব্বির সাত্তারের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য দেন ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক চিত্তরঞ্জন মিশ্র, মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক শাহ্ আজম শান্তনু, বাংলা বিভাগের অধ্যাপক সফিকুন্নবী সামাদী, প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক আনন্দ কুমার সাহা, আইন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. হাসিবুল আলম প্রধান প্রমুখ।

নীলফামারীতে বিএনপি নেতারা অনুপস্থিত, আন্তঃকোন্দল

স্টাফ রিপোর্টার, নীলফামারী ॥ সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বিএনপির চেয়ারপার্সেন খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যুতে বিএনপির কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে ‘গায়েবানা জানাজা’য় নীলফামারীর ছয় উপজেলায় অনেক নেতার অনুপস্থিতিতে কর্মীদের মাঝে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। এছাড়া বিএনপির বিবাদমান দুটি গ্রুপ জেলার জলঢাকায় পৃথকভাবে গায়েবানা জানাজার আয়োজন করে। বিএনপির কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে মঙ্গলবার সকাল দশটায় একযোগে এই গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও নীলফামারীতে তা ভিন্ন ভিন্ন সময় করা হয়। নীলফামারীর জেলা বিএনপির সভাপতি এ্যাডভোকেট আনিসুল আরেফিনের নেতৃত্বে শহরের প্রধান ঈদগাঁ ময়দানে সকাল ১০টায় গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। তবে ডিমলা উপজেলার দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত গায়েবানা জানাজা উপস্থিত ছিলেন না উপজেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক রইসুল ইসলাম চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক আমিরুজ্জামান গাজী।

কে এই মহিলা?

নিজস্ব সংবাদদাতা, কলাপাড়া, ২৭ জানুয়ারি ॥ কে এই অভাগী মা। কী তার পরিচয়। কেউ কিছুই বলতে পারছেন না। অশীতিপর এই বৃদ্ধা মানুষটি কথাও বলতে পারছেন না। প্রায় ১৫ দিন পটুয়াখালীর কলাপাড়া হাসপাতালের ফ্লোরে কাতরাচ্ছেন। শুধু অবাক দৃষ্টিতে আগতদের দেখছেন। অপলক নেত্রে তাকান কাছের কারও দিকে। কিন্তু দৃষ্টিতে নেই কোন প্রশ্ন কিংবা উত্তর। চিকিৎসকরা সাধ্যমতো তার চিকিৎসা করে যাচ্ছেন। কথা বলতে না পারায় যথাযথ চিকিৎসা সেবা দেয়া সম্ভব হচ্ছে না। হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার মোঃ গোলাম ফরহাদ জানান, বিছানাসহ প্রয়োজনীয় ওষুধ এবং খাবার দেয়া হচ্ছে তাঁকে।