২১ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

চুরির অভিযোগে গণপিটুনিতে ঈশ্বরদী ও ঝিনাইদহে নিহত দুই


স্টাফ রিপোর্টার, ঈশ্বরদী ॥ সোমবার দুপুর ১টায় ঈশ্বরদী সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মজিবর রহমান (৩৫) নামে এক ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করেছে। জানা যায়, সুজানগর উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের দেবুপাড়া গ্রামের মৃত খবির উদ্দিনের ছেলে মজিবর রহমানসহ ৪-৫ জনের একটি দল ঈশ্বরদী উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের পাঠশালা মোড় এলাকার মন্টু বিশ্বাসের বাড়িতে গরু চুরি করতে যায়। এ সময় লোকজন টের পেয়ে ধাওয়া করলে পালিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় লোকজন চোর দলের সদস্য মজিবর রহমানকে হাতেনাতে আটক করে গণপিটুনি দিলে মারাত্মক আহত হয়। তাকে ঈশ্বরদী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার দুপুর ১টায় মৃত্যুবরণ করে।

নিজস্ব সংবাদদাতা, ঝিনাইদহ থেকে জানান, কালীগঞ্জে গণপিটুনিতে আহত জাকির হোসেন (২৪) নামের এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। সে কালীগঞ্জের আড়পাড়া মাঠপাড়া গ্রামের মৃত সৌরভ হোসেনের ছেলে। সোমবার ভোরে উপজেলার হাজীপুর মুন্দিয়া গ্রামে চুরি করতে গেলে এলাকাবাসী তাকে আটক করে গণধোলাই দেয়। মারাত্মক আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সন্ধ্যায় সে মারা যায়।

যশোরে ব্যবসায়ী হুমাউন কবির হত্যাকা- ঘিরে চলছে রাজনীতি

স্টাফ রিপোর্টার, যশোর অফিস ॥ যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার নাভারণ ইউনিয়নের কুন্দিপুর গ্রামের সুদের কারবারী ব্যবসায়ী হুমাউন কবির হত্যাকে কেন্দ্র করে চলছে নোংরা রাজনীতি। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ঝিকরগাছার নাভারণ ও নির্বাসখোলা ইউনিয়নের পাঁচপোতা চান্দারপোল, বায়সা, শিওরদাহ, ডুমুরিয়া ও আশশিংড়িসহ বিভিন্ন গ্রামে তার প্রায় ১৫Ñ২০ লাখ টাকা সুদের বিনিময়ে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে দেয়া ছিল। এর মধ্যে বায়সার আনিছুরের কাছে দেয়া ছিল ৩ লাখ টাকা। গ্রামবাসীর ধারণা, এই সুদে টাকা খাটানোকে কেন্দ্র করে খুন হয় হুমাউন। আর এ বিষয়টিকে ভিন্নখাতে নিয়ে রাজনৈতিক খেলায় মেতেছে একটি মহল। এছাড়া যাদের কাছে সুদে টাকা দেয়া ছিল, তাদের জমির দলিল রয়েছে নিহত হুমাউনের বাড়িতে। হত্যার পর ১৩ জনকে আসামি করে ঝিকরগাছা থানায় একটি হত্যা মামলা করা হয়। মামলার বাদী হুমাউন কবিরের ছোট ভাই আরঙ্গজেব। যাদের নামে মামলা হয়েছে তাদের সবাই নিরীহ। কেউ কেউ ব্যবসায়ী এবং চাকরিজীবী। যাদের সঙ্গে এ হত্যার কোন সংশ্লিষ্টতা নেই। শুধুমাত্র হয়রানির উদ্দেশে মামলায় তাদের নাম দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে হাফিজুল হক ঝন্টু বেনাপোলের একজন সিএ্যা-এফ ব্যবসায়ী। ঘটনার সঙ্গে তার কোন যোগসূত্র নেই। এলাকাবাসী জানায়, নিহত হুমাউনের বড় ভাই ওই অঞ্চলের সন্ত্রাসী বাহিনীর প্রধান। তার নামে খুন, ধর্ষণসহ একাধিক মামলা রয়েছে থানায়। সে পলাতক রয়েছে। এলাকার লোকজনের সঙ্গে তার বিরোধ রয়েছে। সে কারণেও হতে পারে হুমাউন।