২২ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট ৯ ঘন্টা পূর্বে  
Login   Register        
ADS

ইরাককে হারিয়ে ফাইনালে দক্ষিণ কোরিয়া


স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ ২০০৭ সালের চ্যাম্পিয়ন ইরাককে ২-০ গোলে হারিয়ে এএফসি এশিয়ান কাপ ফুটবলে ফাইনালে পৌঁছে গেছে দক্ষিণ কোরিয়া। অস্ট্রেলিয়ায় চলমান আসরে সোমবার প্রথম সেমিফাইনালে দক্ষিণ কোরিয়ার হয়ে গোল করেন লি জাং-হিউপ ও কিম ইয়াং-গোন। ১৯৮৮ সালের পর এই প্রথম ফাইনালে উঠল এশিয়ার পরাশক্তিরা। আসরের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে আজ মুখোমুখি হচ্ছে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া ও সংযুক্ত আরব আমিরাত। এই সেমির বিজয়ী দল আগামী ৩১ জানুয়ারি শিরোপা নির্ধারণী ফাইনাল ম্যাচে দক্ষিণ কোরিয়ার বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। সিডনির স্টেডিয়াম অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত ম্যাচে শুরু থেকেই ইরাকের উপর চড়াও হয়ে খেলতে থাকে এশিয়া থেকে সবচেয়ে বেশি বিশ্বকাপে খেলা দক্ষিণ কোরিয়া। উলি স্টেলিকের শিষ্যরা মুহুমুর্হু আক্রমণ শাণাতে থাকে ইরাকের রক্ষণভাগে। যার ফলস্বরূপ ২০ মিনিটে প্রথম গোল পায় দলটি। গোল করেন লি জাং। চলমান আসরে এটি তার দ্বিতীয় গোল। ১-০ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় দক্ষিণ কোরিয়া। বিরতির পরও আক্রমণের ধার অব্যাহত রাখে দলটি। ৫০ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করে দক্ষিণ কোরিয়ার জয় একপ্রকার নিশ্চিত করেন কিম ইয়াং। অবশ্য কোরিয়া আরও দুটি নিশ্চিত গোল পেতে পারত। কিন্তু ইরাকের গোলরক্ষক জালাল হোসেন হাশেমি কোরিয়ার কি সুং-ইয়ং ও সন হিউং-মিনের দুটি নিশ্চিত প্রচেষ্টা অসাধারণ দক্ষতায় রুখে দেন।

পাল্টা আক্রমণে যেয়ে ইরাক ছোট ছোট কয়েকটি আক্রমণ করলেও তা থেকে কোন গোলের দেখা পায়নি। তবে ইউনুস মাহমুদ দলের হয়ে সবচেয়ে সহজ সুযোগ নষ্ট করেন। এই জয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার দারুণ প্রতিশোধও নেয়া হয়েছে। কেননা ২০০৭ এশিয়ান কাপে তারা ইরাকের কাছে সেমিফাইনালে পেনাল্টিতে হেরে বিদায় নিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত ওই আসরে চ্যাম্পিয়নও হয়েছিল যুদ্ধবিধ্বস্ত ইরাক। এবার তাই ফাইনালে যাওয়া কোরিয়ার লক্ষ্য শিরোপা।

দলটির কোচ উলি স্টেলিক ম্যাচ শেষে বলেন, এশিয়ান শ্রেষ্ঠত্বের এই আসরে আমরা দীর্ঘদিন শিরোপার দেখা পায়নি। দলের সবাই মুখিয়ে আছে ফাইনালের জন্য। আশা করছি ফাইনালে প্রতিপক্ষ যেই হোক না কেন আমরা আমাদের স্বাভাবিক খেলা খেলতে পারলে জয় পাওয়া কঠিন হবে না। অবশ্য প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়া হলে কাজটা সহজ হবে না বলে মনে করেন কোরিয়ান কোচ। সেমিতে হার মানা ইরাক এখন খেলবে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে। ৩০ জানুয়ারির ম্যাচটিতে তাদের প্রতিপক্ষ দ্বিতীয় সেমির হার মানা দল।

সম্পর্কিত:
পাতা থেকে: