১৯ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

দ্বিতীয় জিম্মির প্রাণ রক্ষায় সবকিছু করবো ॥ আবে


জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে ইসলামিক স্টেটের (আইএস) হাতে আটক দ্বিতীয় জাপানি জিম্মির প্রাণ রক্ষার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এর আগে অনলাইনে প্রচারিত এক ভিডিওতে চরমপন্থীদের হাতে আটক দুই জাপানি জিম্মির একজন হারুণা ইউকাওয়াকে তারা হত্যা করেছে দেখানো হয়। খবর বিবিসি ও টেলিগ্রাফ অনলাইনের।

শিনজো আবে আইএস জঙ্গীদের হাতে দৃশ্যত ওই জাপানি জিম্মি নিহত হওয়ার ঘটনাকে জঘন্য ও অনুমোদনের অযোগ্য বলে নিন্দা জানান। তিনি ভিডিও দেখানো দ্বিতীয় জিম্মি দৃশ্যত জাপানি সাংবাদিক কেনজি গোতোকে অবিলম্বে মুক্তি দেয়ার দাবি জানান। আবে বলেন, ভিডিওতে দেখানো ইউকাওয়ার শিরñেদ করা দেহের ছবি ও এক রেকর্ডকরা বার্তা সত্যিকারের বলেই মনে হয়।

ভিডিওটি শনিবার রাতে প্রচার করা হয়। তিনি তার দেশের সরকারী সম্প্রচার কেন্দ্র এনএইচকে’র সঙ্গে রবিবার কথা বলছিলেন।

মঙ্গলবার আইএস বলেছিল, জাপান ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ২০ কোটি ডলার না দিলে দলটি ওই দুই ব্যক্তিকে হত্যা করবে।

কিন্তু এখন আইএস মুক্তিপণের বদলে বন্দীবিনিময় দাবি করছে বলে মনে হয়। গোতো ভিডিওতে বলেন, জর্দানে আটক ইরাকী জঙ্গী সাজিদা আল-রিশাবিকে ছেড়ে দেয়া হলে আইএস তাকে মুক্তি দেবে। আল-রিশাবি এক ইরাকী মহিলা। তাকে ও তার স্বামীকে ২০০৫ সালে আলকায়েদার পক্ষে এক বোমা হামলা চালাতে জর্দানে পাঠানো হয়েছিল। তারা এক হোটেলে আয়োজিত বিয়ের অনুষ্ঠানে হামলা চালান। তার স্বামীর আত্মঘাতী হামলায় অন্তত ৫৭ ব্যক্তি নিহত হয়, কিন্তু তার সুইসাইডবেল্ট বিস্ফোরিত না হওয়ায় তিনি ধরা পড়েন।

সর্বশেষে টেপটি প্রচারিত হওয়ার পর আবে জাপান সন্ত্রাসবাদের কাছে আত্মসমর্পণ করবে না বলে পুনরুক্তি করেন।

তিনি বলেন, এরূপ সন্ত্রাসী তৎপরতা জঘন্য ও অনুমোদনের অযোগ্য। এটি আমার মনে গভীর ক্ষোভেরই সৃষ্টি করে মাত্র।

তিনি বলেন, আমি জোর দাবি জানাচ্ছি যে, কেনজি গোতোকে অক্ষত অবস্থায় অবিলম্বে চেড়ে দেয়া হোক। জাপান সরকার তাকে মুক্ত করতে সম্ভব সব কিছুই করবে।

প্রচারিত রেকর্ডিংয়ে দেখা যায়, গোতো বলছেন ইউকাওয়াকে ইসলামিক খিলাফতের ভূখ-ে হত্যা করা হয়েছে। কিন্তু এ সাংবাদিক এ কথাও বলেন যে, জাপান সরকার জর্দানের মাধ্যমে কাজ করে তার জীবন বাঁচাতে পারে। জঙ্গীরা আল-রিশাবির মুক্তির বিনিময়ে তাকে ছেড়ে দেবে।

আবে এনএইচকে বলেন, তিনি পরিস্থিতি সম্পর্কে জর্দানের বাদশা আব্দুল্লাহর সঙ্গে কথা বলেছেন। কিন্তু তিনি আইএসের আল-রিশাবির মুক্তির দাবি নিয়ে কোন মন্তব্য করেননি।