২০ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

নাটোরে অবরোধে পিকেটিংয়ের নামে চলছে চাঁদাবাজি


সংবাদদাতা, নাটোর, ২১ জানুয়ারি ॥ একদিকে চলছে ২০ দলীয় জোটের সরকার পতন আন্দোলন। অন্যদিকে মহাসড়কগুলোতে চলছে ছিনতাই, চাঁদাবাজদের মহোৎসব। দিনে পণ্যবাহী ট্রাক চলাচলের তেমন একটা সুযোগ না থাকলেও জরুরী সব পণ্যবাহী ট্রাক চলাচল করে রাতে। কিন্তু হরতাল অবরোধ সমর্থক সেজে সড়ক-মহাসড়কে চলছে ছিনতাই, চাঁদাবাজদের মহোৎসব। রাতে চলাচলকারী পণ্যবাহী ট্রাক থেকে আদায় করা হচ্ছে চাঁদা। আর মহাসড়কে ব্যারিকেড দিয়ে চালক ও হেলপারদের পাশাপাশি যাত্রীদের কাছ থেকে নগদ টাকাসহ সর্বস্ব লুট করে পুড়িয়ে দেয়া হচ্ছে পণ্যবাহী ট্রাক। গত ১৪ এবং ১৫ জানুয়ারি আহম্মদপুর এলাকায় যে দুটি ট্রাকে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়া হয়, তা মূলত একই রকম ঘটনা। এদিকে এজতেমার দ্বিতীয় পর্বের পর জামায়াত-শিবির এবং বিএনপি কর্মীরা দেশের ৪৬ জেলায় আরও সহিংসতা ঘটাতে পারে বলে এমন তথ্য পেয়েছে দেশের শীর্ষ স্থানীয় গোয়েন্দারা। ৪৬ জেলার মধ্যে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে উত্তরের এই ছোট্ট জেলা নাটোরকে। সংশিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, ৫ জানুয়ারি সরকারের এক বছর পূর্তি এবং ২০ দলীয় জোটের গণতন্ত্র হত্যা দিবসে শহরের তেবাড়িয়া এলাকায় আওয়ামী লীগ-বিএনপি সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়। সারাদেশে সে ঘটনা আলোচেনার টেবিলে আসে। এছাড়া গত ১৪ এবং ১৫ জানুয়ারি আহম্মদপুর এলাকায় একই কায়দায় দুটি পণ্যবাহী ট্রাকে চালক ও হেলপারকে মারপিট করে টাকা-পয়সা কেড়ে নিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়। এ অবস্থায় স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন পড়েছে বিব্রতকর অবস্থার মধ্যে। অপরাধীদের ধরতে নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে। গত ১৫ জানুয়ারি সিমেন্ট বোঝাই ট্রাকে আগুন দেয়ার বর্ণনা দেন চালক অজয় কুমার। তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার মুন্সীগঞ্জ থেকে ট্রাকটি (ঢাকা মেট্রো ট ১৪-৩৩৫৫) ৩২৫ বস্তা সিমেন্ট নিয়ে রাজশাহী যাবার পথে ভোর ৫টার দিকে আহম্মেদপুর বালিকা বিদ্যালয়ের সামনে ৭-৮ জন যুবক রাস্তায় গাছের গুঁড়ি ফেলে ব্যারিকেড দেয়। এ সময় তাদের মারপিট করে ২০ হাজার টাকা কেড়ে নিয়ে ট্রাকে আগুন ধরিয়ে দেয়। এছাড়া ১৪ জানুয়ারি আহম্মদপুর ব্রিজ এলাকায় একই কায়দায় পিকআপ ভ্যানটিতে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়। রাস্তায় ব্যারিকেড দিয়ে যাত্রীদের কাছ থেকে টাকা-পয়সা কেড়ে নিয়ে পেট্রোল বোমা ছুড়ে আগুন দিয়ে চলে যায় দুর্বৃত্তরা।