২১ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

সিরাজগঞ্জে ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতায় উপচে পড়া ভিড়


বাবু ইসলাম, সিরাজগঞ্জ ॥ আবহমান গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী খেলা ঘোড়দৌড়। এখনও গ্রামে গ্রামে এ খেলার প্রচলন রয়েছে। ঘোড়া শুধু পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে নয়-বিনোদনের মাধ্যম হিসেবেও দেখা দিয়েছে। তিন দিনব্যাপী ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতায় হাজার হাজার দর্শক আনন্দ উপভোগ করেছেন। এতে সিরাজগঞ্জ জেলা ছাড়াও দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে শৌখিন মালিকদের প্রায় ৪০টি ঘোড়া দৌড় প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। ঘোড়দৌড় উপলক্ষে বসে গ্রামীণ মেলা। ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা শুরুর প্রথমদিন থেকেই বিভিন্ন গ্রাম থেকে আত্মীয়স্বজন, ঝি-জামাই এলাকায় এসে অবস্থান নেয় এবং আনন্দ উৎসবে শরিক হয়। বাড়িতে বাড়িতে পিঠা পায়েশের ধুম পড়ে যায়। শুধু ডুমুর গোলামী নয়। আশপাশের গ্রামগুলোতেও ঝি-জামাই, বধূ-বেয়ানেরা আমন্ত্রিত হন। তবে এ ধরনের প্রতিযোগিতা দিন দিনই কমে আসছে। কিছুসংখ্যক ঘোড়ার মালিক দেশব্যাপী এসব প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। বর্তমানে ঘোড়া এভাবেই বিনোদনের মাধ্যম হিসেবে মানুষকে আনন্দ দিচ্ছে। সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার ডুমুর গোলামী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন মাঠে শেষ হয়েছে তিন দিনব্যাপী ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা। শনিবার সমাপনী দিনে বিকেল ৫টায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন সিরাজগঞ্জ সদর আসনের এমপি অধ্যাপক ডা. হাবিবে মিল্লাত মুন্না। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া, মোস্তফা কামাল খান, বিমল কুমার দাস, প্রবীণ সাংবাদিক ও বাংলাদেশ বেতারের প্রতিনিধি রফিকুল আলম খান, মেলা ও প্রতিযোগিতা কমিটির সম্পাদক মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন প্রমুখ। পুরস্কার বিতরণী সভায় সভাপতিত্ব করেন গোলাম আম্বিয়া। ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতায় ৩টি গ্রুপে মোট ৩০টি ঘোড়া অংশ নেয়। এদের মধ্যে ক-বিভাগে পরিতোষ ১ম স্থান, খ-বিভাগে সেকেন্দার ১ম, হায়দার ২য়, ফরহাদ ৩য় স্থান এবং গ-বিভাগে ফারুক ১ম, মোক্তার ২য়, নাজিম ৩য় স্থান অধিকার করে।