২৪ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

ডি ভিলিয়ার্সের ম্যাচে আমলার অর্জন


স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ সামনে থেকে নেতৃত্ব দিলেন এবি ডি ভিরিয়ার্স। ডারবানে অধিনায়কের ৮১ রানের ক্লাসিক্যাল ইনিংসে ভর করে বৃষ্টি বিঘিœত প্রথম ওয়ানডেতে উইন্ডিজকে ৬১ রানে (ডাকওয়ার্থ-লুইস পদ্ধতিতে) হারিয়েছে দ. আফ্রিকা। ৪৮.২ ওভারে ৮ উইকেটে ২৭৯ রান সংগ্রহ করে স্বাগতিকরা। জবাবে ২৮.২ ওভারে ১৬৪ রানে অলআউট হয় সফরকারী ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ম্যাচে ব্যক্তিগত ৬৬ রানের পথে ওয়ানডেতে দ্রুত পাঁচ হাজারি ক্লাবে নাম লেখান হাশিম আমলা। জোহানেসবার্গে পাঁচ ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডে আজই। টস জিতে ব্যাটিং নেন প্রোটিয়া অধিনায়ক ডি ভিলিয়ার্স। অধিনায়কের ৮১, ডেভিড মিলারের ঝড়ো ৭০ ও আমলার ৬৬ রানের সৌজন্যে স্বাগতিকরা যখন ২৭৯ রান সংগ্রহ করে তখনই বৃষ্টি হানা দেয়। খেলা বন্ধ থাকে দীর্ঘ সময়। পুনরায় খেলা শুরু হলে জয়ের জন্য ৩২ ওভারে ক্যারিবীয়দের সামনে ২৬৬ রানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত হয়। উইন্ডিজ ব্যাটসম্যানরা আশা জাগিয়েও বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। তারকা উইলোবাজ ক্রিস গেইল ২৪ বলে ৫ চার ও ২ ছক্কায় ৪১ রান করে সাজঘরে ফেরেন। এছাড়া দিনেশ রামদিন ৩১, ডোয়াইন স্মিথ ২৯ ও আন্দ্রে রাসেল ১৯ রান করে আউট হন। দ. আফ্রিকার হয়ে ৩টি করে উইকেট নেন ভারনন ফিল্যান্ডার, ডেল স্টেইন ও ইমরান তাহির। তবে ম্যাচে বৃষ্টি ও জয়-পরাজয় ছাপিয়ে সামনে উঠে আসেন আমলা। ৬৬ বলে ৬৬ রানের পথে নতুন রেকর্ড গড়ে ওয়ানডেতে দ্রুততম পাঁচ হাজারি ক্লাবে নাম লেখান প্রোটিয়া ওপেনার। ক্যারিয়ারের ১০৪তম ওয়ানডেতে ১০১ ইনিংস খেলেই এ কীর্তি গড়েন তিনি। তুখোড় উইলোবাজ পেছনে ফেলেন ভিভ রিচার্ডস ও বিরাট কোহলিকে। দু’জনেরই পাঁচ হাজারি ক্লাবে নাম লিখতে লেগেছিল ১১৪টি করে ইনিংস। এর আগে ক্যারিবিয়ান কিংবদন্তি ভিভকে পেছনে ফেলে দ্রুততম দুই হাজার, তিন হাজার ও চার হাজারি ক্লাবও অতিক্রম করেছিলেন ৩১ বছর বয়সী আমলা! ১০৪ ম্যাচে মুসলিম প্রতিভাবান ব্যাটসম্যান আমলার মোট রান এখন ৫০১২। ৫৩ গড়ে সেঞ্চুরি ১৭ ও হাফ সেঞ্চুরি ২৬টি। স্ট্রাইক রেট ৮৮.৩৯। এই ম্যাচ দিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ওয়ানডে অধিনায়ক হিসেবে অভিষেক হয় ২৩ বছর বয়সী পেসার জেসন হোল্ডারের। মাঠে নেমে ক্যারিবীয় ইতিহাসেও নাম লেখান তিনি। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ওয়ানডে ইতিহাসের কম বয়সী অধিনায়ক এখন তিনিই (২৩ বছর ৭২ দিন)। ২৩ বছর ২১৭ দিনে যেটি আগে ছিল জ্যাকি গ্রান্টের দখলে, ১৯৩০ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে। কম বয়সে অভিষেকের আনন্দ অবশ্য ম্লান হয়ে গেছে দলের হারে। ‘বোলিং-ব্যাটিং কোনটাই ভাল হয়নি। দক্ষিণ আফ্রিকার মতো দলের বিপক্ষে ভুল করলে তার খেসারত দিতেই হবে! টপঅর্ডারে আমাদের ব্যাটিংয়ে আরও ধারাবাহিকতার প্রয়োজন রয়েছে। আশা করছি পরের ম্যাচেই তা সম্ভব হবে। ঘুরে দাঁড়াতে আত্মবিশ্বাসী আমরা।’ ম্যাচ শেষে বলেন হোল্ডার। উল্লেখ্য, বেতন-ভাতা নিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ বোর্ডের সঙ্গে দ্বন্দ্বের সূত্র ধরে ভারত সফরে মধ্যপথে সিরিজ বাতিল করে দেশে ফেরে খেলোয়াড়রা। যে সূত্রে ক্যারিবীয়দের বিশ্বকাপ দলেও আসে ব্যাপক পরিবর্তন। ডোয়াইন ব্রাভো, কাইরেন পোলার্ডের মতো তুখোর পারফর্মারদের বাদ দেয়া হয়, অধিনায়ক করা হয় আনাকোড়া হোল্ডারকে!